বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে একটি মহল বিভিন্ন উসকানির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। যা খুবই ইঙ্গিতপূর্ণ।
শনিবার (২০ জুন) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ন্যাশনালিস্ট আইসিটি ফোরাম আয়োজিত ‘বাংলাদেশ আইসিটি শিল্প ২০৩০: চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও কৌশলগত সংস্কার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতি প্রয়োজন। সেই নীতির ভিত্তিতেই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারপ্রধান ২১ জুন দুইটি দেশ সফরে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, “বহু সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকার এসেছে। এই সরকারের কাছে দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত জাতীয়তাবাদী আদর্শের ভিত্তিতেই সরকার কাজ করছে। আমরা আশা করি, এমন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে না যাতে দেশের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”
রিজভী অভিযোগ করেন, সরকারের প্রথম বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে দেশের ভেতরে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে, যা ষড়যন্ত্রমূলক হতে পারে।
তিনি বলেন, “দেশের স্বার্থে আমাদের কারও সঙ্গে শত্রুতা নেই, আবার কেউ আমাদের প্রভুও নয়—সবাই বন্ধু। এটি বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত পররাষ্ট্রনীতির অংশ, যা এখনও অনুসরণ করা হচ্ছে।”
আইসিটি খাত নিয়ে তিনি বলেন, বাজেটে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি’ এবং ‘ওয়ান ডিজিটাল, ওয়ান ওয়ালেট’ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এটি সরকারের একটি ঘোষিত নীতি সেখানে বলা হয়েছে যে পৃথিবীর অন্য কোনও দেশের মডেল থেকে নয়, বরং আমরা পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাটাকেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসবো। এটাই ঘোষিত নীতি।
সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন এনসিএফটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাফায়েল কবির, উপদেষ্টা ডা. মারুফ মল্লিক ও ডা. শাহ জেড মিয়া প্রমুখ।









