বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুর সংবাদ নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত পৌনে ৮টার পর কয়েকটি গণমাধ্যম ও বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজ থেকে প্রথমে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়। এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
তবে পরে এমন সংবাদ প্রচারকে অনিচ্ছাকৃত বলে দুঃখপ্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও বিএনপির মিডিয়া সেল। বলা হয় আসলে রফিকুল ইসলাম মিয়া মারা যাননি।
রাত ৯টার কিছু আগে বিএনপির মিডিয়া সেলের পেজ থেকে আরেকটি স্ট্যাটাসে লেখা হয়, প্রবীণ রাজনীতিক ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ইন্তেকাল করেছেন—এমন খবর সঠিক নয়।
মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানের বরাতে জানানো হয়, তিনি আগের মতো নিজ বাসায় রয়েছেন। তার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।
তার ব্যক্তিগত সহকারী মোকছেদুর রহমান আবির জানান, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া অনেকটা সুস্থ আছেন। তিনি এখন রাজধানীর বসুন্ধরার বাসায় অবস্থান করছেন। তিনি নিয়মিত স্বাস্থ্য চেক-আপের মধ্যে আছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে রফিকুল ইসলাম মিয়া বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।
তার সহকারী জানান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার জুনিয়র আইনজীবী রফিকুল হোসেন রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুকেই অনেকে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যু ভেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা নিয়ে এভার কেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক জিয়াউল হকের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তার অসুস্থতার বিষয়টি অবগত হওয়ার পর গত ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তার সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) হাসপাতালে গিয়ে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
গত বছরের ২ মার্চ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার স্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. শাহিদা রফিক মারা যান।