জঙ্গিবাদ ঠেকাতে ধর্মনিরপেক্ষতাকে সামনে আনতে হবে: মেনন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০৬:৫৯, আগস্ট ১৮, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০৩, আগস্ট ১৮, ২০১৭

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেননধর্মনিরপেক্ষতাকে আড়াল করে জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ রুখতে হলে সংবিধানের মূলনীতি ধর্মনিরপেক্ষতাকে সামনে নিয়ে আসতে হবে।’ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত ‘বাংলাদেশে সন্ত্রাসের বহুমুখিতা: গণতন্ত্র,  মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খান মেনন হত্যা চেষ্টার ২৫তম বার্ষিকীর উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘মৃত্যুর দুয়ার থেকে দেশবাসীর দোয়ায় ফিরে এসেছি।  সে দিন এর প্রতিবাদে দেশজুড়ে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ-বিক্ষোভ গড়ে তোলার জন্য দেশবাসির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’  তিনি আরও বলেন,  ‘সংসদে সন্ত্রাসের প্রতিবাদ করায়  সন্ত্রাসের শিকার হতে হয়েছিল। সেদিন জীবন বাঁচাতে হাজারো মানুষ রক্ত দিতে এগিয়ে এসেছিল।  সেই অগুনতি মানুষের রক্ত আজও  বহন করে চলেছি।এই রক্তের ঋণ শোধ করতে আমৃত্যু লড়াই করে যাব।’

আলোচনা সভায় আরও  বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলেহোসেন বাদশা এমপি, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, ৭১-এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক শাহরিয়ার কবির, নাট্যজন নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালের ১৭ আগস্ট রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ ওয়ার্কার্স পার্টির অফিসের সামনে রাশেদ খান মেননকে গুলি করা হয়। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও পরে সিএমএইচ এ নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৯৯৩ সালের ২০ জানুয়ারি চিকিৎসা শেষে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

/সিএ/এমএনএইচ/

 

লাইভ

টপ