দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল পুনর্গঠন করুন: ১৪ দল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:০৭, মার্চ ২২, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:০০, মার্চ ২২, ২০২০

১৪ দলীয় জোটকরোনা মোকাবিলায় দুর্যোগ প্রতিরোধে গঠিত ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল পুনর্গঠিত করার আহ্বান জানিয়েছে ১৪ দল। পাশাপাশি জোটের পক্ষ থেকে করোনা প্রতিরোধে সব ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

রবিবার (২২ মার্চ) ১৪ দলের পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টির (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, গণআজাদী লীগের সভাপতি এস কে শিকদার, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের প্রশাসন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন করোনা ভাইরাস থেকে জনগণকে রক্ষা করতে। তাদের এই আন্তরিকতাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। তবে আমাদের সম্পদ সীমিত, প্রশিক্ষিত লোকবলের অভাব ও কার্যক্ষেত্রে বাস্তবায়নও নানা কারণে বিলম্বিত হয়। যেহেতু এখন জরুরি পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তাই আতঙ্ক সৃষ্টিকারী এই রোগ প্রতিরোধে আমরা মনে করি অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্যোগ প্রতিরোধে গঠিত ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল পুনর্গঠিত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সমন্বয় করে কাজ শুরু করা দরকার।

১৪ দলের পক্ষ থেকে বিদেশ ফেরতদের যেকোনও মূল্যে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। এক্ষেত্রে কোনও প্রকার ছাড় দেওয়া যাবে না। বলা হয়, কেউ হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে অনিচ্ছুক হলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করতে হবে। একইসঙ্গে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল টিম কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। জরুরি ভিত্তিতে চীন বা অন্য দেশ থেকে পিপিইসহ সব সুরক্ষা সামগ্রী এনে দেশের সব চিকিৎসক-নার্সসহ স্বাস্থ্যসেবা কর্মীকে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। একজন স্বাস্থ্যকর্মীও যেন এর থেকে বাদ না পড়ে এবং তাদের সবাইকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকায় একাধিক এবং সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে অন্তত একটি করে করোনা শনাক্তকরণ সেন্টার বা ল্যাবরেটরি স্থাপনের দ্রুত ব্যবস্থা করতে হবে। এখন দিনের হিসাবে নয়, ঘণ্টা হিসাবে সব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। জাতি হিসেবে আমরা সাহসী। কিন্তু সহায়ক শক্তি হিসেবে প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে হবে। ধর্ম, দল-মত নির্বিশেষে সবাই দুর্যোগ মোকাবিলায় এগিয়ে এসে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

/এমএইচবি/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ