ভিন্নমতের প্রতি সহনশীলতা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে: ফখরুল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৫:০৫, অক্টোবর ২৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:০৬, অক্টোবর ২৯, ২০২০

ডিআরইউ চত্বরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরবিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশে গণমাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ভিন্নমতকে সহ্য করার যে সহনশীলতা সেটা ধীরে ধীরে একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে।’ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি চত্বরে সংগঠনটির রজতজয়ন্তী উপলক্ষে র‌্যালি উদ্বোধন করার আগে তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি দেশের গণতন্ত্র ও সামগ্রিক সামাজিক, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম গণমাধ্যম। যে দেশের গণমাধ্যম যত স্বাধীন ও শক্তিশালী সেই দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী। দুর্ভাগ্য, আজ সারাবিশ্বে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর একটা চাপ সৃষ্টি শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে সেই চাপ অনেক বেশি আমরা লক্ষ্য করছি। আমরা দেখেছি শুধু রাজনৈতিক কারণে অনেক সংবাদকর্মীকে নিগৃহীত হতে হয়েছে, প্রাণ দিতে হয়েছে। তাদের অনেক সময় কারাগারে যেতে হয়েছে। সংবাদ প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সব সময় বলে আসছি যে বাংলাদেশে গণতন্ত্র এখন প্রায় অনুপস্থিত। এখানে মানুষের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংসদীয় গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে এসেছি।‘

তিনি বলেন, ‘ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বর্তমানে একটি ব্যতিক্রমী সংগঠন। এটা সংবাদকর্মীদের নিজস্ব সংগঠন এবং এখানে এখন পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক বিভাজনের মধ্যে নিজেদের ডুবিয়ে দেননি। তারা গত ২৫ বছর ধরে পেশাদার সংগঠন হিসেবে নিজেদের ঐক্য ধরে রাখতে পেরেছেন। এজন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজ লজ্জার সঙ্গে একটা খবর লক্ষ্য করলাম যেটা পত্রিকায় এসেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের ১০জন সদস্য তাদের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি লিখেছে যে, বাংলাদেশের একটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ৪০০ মানুষ বিনা বিচারে নিহত হয়েছেন। তা নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটা স্যাংশন দেওয়ার অনুরোধ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে। আমাদের দুঃখ হয় আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষিতে এই বিষয়গুলো এখন বিদেশের কাছে যাচ্ছে, বিশ্বসভার কাছে যাচ্ছে। যা আমাদের জন্য কখনই সুখকর বিষয় নয়।’

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে র‌্যালিপূর্ব সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, ইলিয়াস হোসেন, ডিআরইউ' র বর্তমান কমিটির দফতর সম্পাদক জাফর ইকবাল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাইদুর রহমান রুবেল, কল্যাণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।



 

/এসও/এফএস/

লাইভ

টপ