বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল খান আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, জানি না শফিক রেহমানকে কৌশলে হত্যার ষড়যন্ত্র আছে কি না।
রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ (বিএসপিপি) আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ আশঙ্কার কথা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারকে বলতে চাই, এই (৮৩) বছরের বৃদ্ধ শফিক রেহমানকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সাংবাদিক সেজে, অনেক আগের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করলো। জানি না তাকে কৌশলে হত্যার ষড়যন্ত্র আছে কি না? কারণ এ সরকারের পক্ষে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়।
ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, স্বাধীন দেশে যারা সত্য কথা বলে তাদেরকে গুম, খুন বা মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হতে হয়। যার মধ্যে শফিক রেহমান একজন।
শুধু তাই নয় এই শফিক রেহমানের লেখা কোনও দিনও সন্ত্রাসীদের পক্ষে যায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের কাউকে বিশ্বাস করানো যাবে না যে, শফিক রেহমান সজিব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছেন?
আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর সমান্তরালে কামাল মজুমদার!
ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে এই শ্রমিক নেতা বলেন, আজকে বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া ও জাতীয়তাবাদী দলকে দুর্বল করার জন্য যা যা করা দরকার, সরকার তাই করছে। যার দৃষ্টান্ত শফিক রেহমান।
বাংলাদেশের সামগ্রিক নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, সংসদ, পৌরসভা শেষে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও তামাশা শুরু করেছে সরকার। তাই সরকারি দলের শরিকরাও নির্বাচন কমিশনে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
এ সময় তিনি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশ চালাবে আর যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে তাদেরকে জেলে থাকতে হবে, এটা এ দেশের জনগণ মানবে না।
বাকশালের কথা উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারও একদল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আর এতে বাধা হচ্ছেন খালেদা জিয়া ও বিএনপি। তাই খালেদা ও বিএনপিকে দুর্বল করার চেষ্ঠা হচ্ছে।
এ সময় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন ড্যাবের মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী, অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, সাংবাদিক এম আব্দুল্লাহ প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
ইলিয়াস আলীকে জীবিত উদ্ধারের আশা ছাড়েননি স্ত্রী লুনা
এসআইএস/এজে








