গণফোরাম সাধারণ মানুষের দাবি আদায়ে গণমুখী ও জনমুখী হয়ে সারাদেশে সকল জেলা-উপজেলায় জনতার সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) মতিঝিলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের সভাপতি পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
গণফোরামের একাংশের সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, ‘‘এই মুহূর্তে জনদুর্ভোগের সীমা অতিক্রম করেছে। মানুষ আজ অধিকার বঞ্চিত, সারাদেশে লুটেরা সুবিধাভোগীরা জনগণের মালিকানার ওপর ‘হপ্তা’ বসিয়ে চাঁদা তুলে খাচ্ছে। আর এতে জনগণের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে সত্যিকার অর্থে জনতার কল্যাণে রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’’
গণফোরোমের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেন, ‘বিভাজনের যে রাজনীতি ক্ষমতাসীন সরকার শুরু করেছে, তা জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করে ফেলেছে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সঠিক ইতিহাস তুলে ধরে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চলিয়ে যেতে হবে।’।
সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘জনগণ এই সরকারের কাছে আর ভালো কিছু আশা করে না। কারণ, এরা রাতের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছে। আমরা জনগণের সরকার চাই। আর সেটা একমাত্র নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই সম্ভব।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন— দলের নির্বাহী সভাপতি এ.কে.এম জগলুল হায়দার আফ্রিক, মহসিন রশিদ, মহিউদ্দিন আব্দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য আনসার খান, ফজলুল হক সরকার, আতাউর রহমান, আব্দুল হাসিব চৌধুরী, খান সিদ্দিকুর রহমানসহ প্রেসিডিয়ামের সদস্যরা।








