গতানুগতিক নির্বাচন দিয়ে আবার ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার মানে হয় না: ফয়জুল করীম

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৯:০৭আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৯:১৩

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশ গড়ে তুলতে রাষ্ট্র সংস্কার বেশি জরুরি। সংস্কার শেষ করে কালো টাকা ও পেশি শক্তিমুক্ত নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতির নির্বাচনের বিকল্প নেই। গতানুগতিক নির্বাচন দিয়ে ফ্যাসিবাদকে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করার কোনও মানে হয় না।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা আয়োজিত রাজনৈতিক শুদ্ধাচার ও বৈষম্যহীন কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে অনুষ্ঠিত নগর শ্রমিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ফয়জুল করীম বলেন, ইসলাম পূর্ব যুগে মানুষের কোনও অধিকারই ছিল না। ধর্মের স্বাধীনতা ছিল না।  ইসলাম পূর্ব আরবের অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা) ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্য জাতির সামনে তুলে ধরায় মানুষ দলে দলে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নিতে শুরু করে। মানুষ বুঝতে পেরেছিল ইসলামই একমাত্র মুক্তির ঠিকানা। বিগত স্বাধীনতার ৫৩ বছরে তিনটি দলের শাসনে মানুষ দেখেছে শোষণ-প্রবঞ্চনা। কাজেই এদেশের ভবিষ্যৎ হলো একমাত্র ইসলাম। ইসলাম ছাড়া মানবতার মুক্তি ফিরে আসবে না।

তিনি বলেন, ইসলামের আগে শ্রমিক, মহিলা, গরিব, কালো— এ শ্রেণির মানুষের অধিকার ছিল না। ইসলাম এসে প্রত্যেকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। আরবে নারীদের অধিকার ছিল না, ইসলাম আসার পর নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠাই নয়, তাদের অগ্রাধিকার দিয়েছে। ইসলাম প্রতিষ্ঠা হলে, বস্তিতে-ঝুঁপড়িতে, ফুটপাতে, খোলা আকাশের নিচে মানুষকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হবে না। শিশু কাঁধে করে মায়েদের ভিক্ষা করতে হবে না। ইসলাম প্রতিষ্ঠা হলে শাসকরা মানুষের প্রকৃত দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের খাবার পৌঁছে দেবেন, তাদের সমস্যার সমাধান করবেন।

/এএজে/এমএস/
সম্পর্কিত
জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা ভেঙে যাওয়া নিয়ে যা বললেন চরমোনাই পীর 
ঢাকার দুই সিটিতে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা
হামে শিশুমৃত্যু: দায়ীদের বিচার দাবি মাওলানা কাইয়ূমের
সর্বশেষ খবর
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি