ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের আগে দৃশ্যমান বিচার ও সংস্কার চায় এনসিপি: আখতার হোসেন

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৬ আগস্ট ২০২৫, ১৫:৩৭আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২৫, ১৭:০১

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, টেলিভিশন ভাষণে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা যে ঘোষণা দিয়েছেন, এতে আমাদের আপত্তি নেই। তবে এর আগে আমরা গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান বিচার এবং সংস্কার চাই। একইসঙ্গে এর মধ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে জুলাই ঘোষণাপত্র ও প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

আখতার বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠকে এনসিপি স্বাগত জানিয়েছে। কারণ এটি আমাদের দাবিও ছিল। তবে এর মধ্যে কিছু বিষয় সংযুক্ত করা হয়নি। আরও গ্রহণযোগ্য করতে খসড়ায় আমরা কিছু বিষয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম। সেগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি‌।

তিনি বলেন, ঘোষণাপত্রে উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের কথা বলা হলেও উপনিবেশবিরোধী লড়াই ৪৭-কে উল্লেখ করা হয়নি। ৪৭, ৭১ এবং ২৪-এর আন্দোলনের সমন্বিত স্বীকৃতি থাকলে ঘোষণাপত্র আরও সমৃদ্ধ হতো।

বিশেষ করে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা গণহত্যা, বিচারিক হত্যাকাণ্ড, আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলন, মোদিবিরোধী আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ও আবরার ফাহাদ হত্যার পরবর্তী আন্দোলন ঘোষণাপত্রে উল্লেখ থাকলে আরও সর্বজনীন হতো।

এছাড়া ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার ও ভ্যাট কমানোর আন্দোলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সুনির্দিষ্ট উল্লেখ করা উচিত ছিল বলে তিনি মনে করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব ও জাবেদ রাসিনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

এর আগে, মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এতে ২৮টি দফা যুক্ত করা হয়েছে। স্থান পেয়েছে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন।

/এমকে/এপিএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম কমানোর দাবি এনসিপির
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
‘পাটওয়ারীর ওপর হামলার জন্য মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা’
সর্বশেষ খবর
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি