ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনকে মাথায় রেখে বাটা তাদের এক্সক্লুসিভ ঈদ কালেকশনে প্রাধান্য দিয়েছে কমফোর্ট ও স্টাইলকে। নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য এবার বাটায় আছে ৫০০ এর বেশি মডেলের নতুন জুতা।
এছাড়া ইনসোলিয়া ফাউন্ডেশন নামে নতুন প্রযুক্তি এনেছে বাটা, যা হাঁটার জন্য দেয় সর্বোচ্চ ককফোর্ট ও হিলব্যালেন্স। কারডিফ মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি ইউকে’র হোয়েলস সেন্টার ফর পোডিয়াট্রিকের রিসার্চে এটি শরীরের পায়ের ভার অ্যাডজাস্ট করে ৬০ শতাংশের বেশি কমফোর্ট দিতে সক্ষম।
বাটার হেড অব মার্কেটিং ইফতেখার মল্লিক বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর সময়ে পৃথিবী পাল্টে গিয়েছে এবং এখন ফ্যাশনে আরামই মুখ্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সময়ের চাহিদা হচ্ছে স্টাইলের পাশাপাশি কমফোর্টও প্রাধান্য দেওয়া। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই আমরা এ বছরের ঈদ এক্সক্লুসিভ কালেকশন এনেছি।’
এই ঈদে নিরাপদে কেনাকাটা করার স্বাছন্দ্য দিতে বাটা’র প্রতিটি স্টোর ও স্টাফদের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও সর্বোচ্চ কাস্টমার সেবা নিশ্চিত করেছে। একইসঙ্গে দোকানে অবস্থানের সময়সীমা কমিয়ে আনা, নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব, স্টোরের পরিচ্ছন্নতা, টেম্পারেচার চেক, স্যানিটাইজিং ও বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহারে নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে প্রচুর কাস্টমার অনলাইন কেনাকাটায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। বাংলাদেশে বাটা-ই প্রথম যারা সম্পূর্ণ কার্যকর অনলাইন প্ল্যাটফর্ম নিশ্চিত করে।
এছাড়াও গত বছর থেকে চালু হয়েছে বাটার আরেকটি অনালাইন প্ল্যাটফর্ম ‘বাটা চ্যাট শপ’, যেখানে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই নিকটস্থ বাটা স্টোরম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে পণ্য অর্ডার করা যাবে।









