ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের নিয়ে সেইস্টের গবেষণা প্রকল্প

প্রেস রিলিজ
১০ মার্চ ২০২৩, ১৯:০৯আপডেট : ১০ মার্চ ২০২৩, ১৯:০৯

স্কুল থেকে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে— এমন শিশুদের নিয়ে একটি গবেষণা প্রকল্প শুরু করেছে বেসরকারি সংস্থা সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট ফর সোশাল ট্রান্সফরমেশন (সেইস্ট)। উদ্যোক্তারা বলছেন, এই প্রকল্পের আওতায় ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের শনাক্ত করে তাদের বাবা-মা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। এর মাধ্যমে তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর প্রেরণা জোগানোই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।

‘ইফেকটিভনেস অ্যান্ড স্ক্যালিবিলিটি অব প্রোগ্রামস ফর চিলড্রেন হু আর অ্যাট রিস্ক অব ড্রপিং আউট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ‘বিজ্ঞান ও গণিত উৎসব’-এর আয়োজন করছে সেইস্ট। সম্প্রতি ভাষানটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আয়োজকরা জানিয়েছেন, শিশুদের বিজ্ঞান ও গণিত ভীতি দূর করার উদ্দেশ্যে এবং তাদের বিজ্ঞানমনস্ক করে স্কুলমুখী করার লক্ষ্যেই সেইস্ট ফাউন্ডেশন এই বিজ্ঞান ও গণিত উৎসবের আয়োজন করে। ‘বিজ্ঞান ও অঙ্কের খেলা, বিদ্যালয়ে শিশুর মেলা’ শীর্ষক স্লোগানে আয়োজিত উৎসবটির মূল প্রতিপাদ্য ছিল, শিশুদের হাতে কলমে বিজ্ঞান চর্চার প্রতি আগ্রহ তৈরির মাধ্যমে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখনের গুরুত্ব বাড়ানো।

এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করে পশ্চিম ভাষানটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী। এতে নেতৃত্ব দেন লেখক ও সাংবাদিক জাহাঙ্গীর সুর এবং তার সংগঠন আকিমুদ্দিন গ্রন্থাগারের সদস্যরা। একই সঙ্গে উৎসবের বিভিন্ন কার্যক্রমের অংশ নেনে সেইস্টের সদস্যরাও।

ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের নিয়ে সেইস্টের গবেষণা প্রকল্প

বিজ্ঞান চর্চার এ আনন্দোৎসবে অন্তর্ভুক্ত ছিল প্রাথমিক এর প্রথম থেকে পঞ্চম এবং নিম্ন মাধ্যমিক এর ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। তাদের লেবু দিয়ে হাইলাইটারের রঙ মোছা, বেলুন দিয়ে রকেট লঞ্চার, হুইল পাউডার দিয়ে হলুদ গুঁড়োর রঙ পরিবর্তনসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন রকম মজার মজার পরীক্ষণ করে দেখান জাহাঙ্গীর সুর ও তার দলের সদস্যরা।

এছাড়াও ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে গিয়ে গিয়ে পাঠ্যবই সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পরীক্ষণ দেখানো হয় এবং শিক্ষার্থীদের তা হাতে-কলমে করতে দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল অটোরেইল কন্ট্রোলার, ওয়্যার লুপ গেম এর মাধ্যমে ফোকাস চ্যালেঞ্জ প্রভৃতি। প্রতিটি পরীক্ষণ প্রথমে প্রশিক্ষকরা তৈরি করে দেখান এবং পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীরা নিজেরা হাতে-কলমে তৈরি করার মাধ্যমে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করে। পরীক্ষণগুলো হাতে-কলমে সফলভাবে তৈরি করার জন্য এবং প্রশ্ন করে নিজেদের কৌতূহল প্রকাশ এর পুরষ্কার স্বরূপ শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হয়। 

এমন কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করা এবং তার উত্তর খোঁজার আগ্রহ আর বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন সেইস্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক জুয়েল রানা।

/এসটিএস/ইউএস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
বিক্রির জন্য নিলামে উঠছে এই আধুনিক দুর্গটি
বিক্রির জন্য নিলামে উঠছে এই আধুনিক দুর্গটি
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম