সিটি ব্যাংকের ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৭ জুন) ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ছিল এ আয়োজন। সভায় ১৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান হোসেন খালেদ। ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান রুবেল আজিজ, পরিচালক আজিজ আল কায়সার, সৈয়দা শায়রীন আজিজ, রেবেকা ব্রোসন্যান, সৈয়দ রায়হান হাসান আলী, স্বতন্ত্র পরিচালক মতিউল ইসলাম নওশাদ, নাজিমুদ্দিন চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, কোম্পানি সেক্রেটারি মো. কাফি খান, পদস্থ কর্মকর্তা ও বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার সভায় অংশ নেন।
স্বাগত বক্তব্যে হোসেন খালেদ ২০২৫ সালের ব্যাংকের ১ হাজার ৩২৪ কোটি টাকার সমন্বিত কর পরবর্তী মুনাফার প্রশংসা করে বলেন, তার আগের বছরের ১ হাজার ১৪ কোটি টাকা থেকে মুনাফার এই ৩১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি সিটি ব্যাংকের শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি ও সুশাসনের স্মারক।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক ও দেশীয় নানা অনিশ্চয়তার মধ্যেও সিটি ব্যাংক সুশাসন, শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে। আমরা ব্যালেন্স শিট শক্তিশালীকরণ, ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করা এবং দেশের ব্যবসা ও জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার অব্যাহত রেখেছি। সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথে আমাদের লক্ষ্য থাকবে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা, গ্রাহকদের আস্থা আরও সুদৃঢ় করা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অর্থবহ অবদান রাখা।
৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ অনুযায়ী ব্যাংকের নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক বিবরণী সভায় উপস্থাপন করা হয়। শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের কার্যক্রমের ওপর আলোচনা করেন।
সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মাসরুর আরেফিন প্রতিষ্ঠানের সার্বিক চিত্র শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তুলে ধরে তাদের উত্থাপিত নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। সভায় পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক সুপারিশ করা ১৫ শতাংশ ক্যাশ এবং ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়।









