দিল্লি দূষণের ভয়াবহতা টের পেয়েছে ভারত-শ্রীলঙ্কার তৃতীয় টেস্ট। দূষণের তীব্রতায় দ্বিতীয় দিন মাস্ক পড়তে দেখা গেছে লঙ্কানদের। যদিও আরও ভয়াবহ তথ্য দিয়েছেন লঙ্কান কোচ নিক পথাস। তীব্র ধোঁয়াশায় সাজঘরে গিয়ে অনেকেই বমি করে ফেলেছেন। তখন লঙ্কান ক্রিকেটারদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্নই হয়ে পড়েছিল লঙ্কান টিম ম্যানেজমেন্ট। পথাস সেই অস্বাভাবিক অবস্থার কথা জানিয়ে বলেন, ‘দিল্লির দূষণ যে সর্বাধিক মাত্রা অতিক্রম করেছে সেটা তো সত্যই। এক সময় অতি মাত্রায় চলে যায় সেই দূষণ। তখন আমাদের ছেলে সাজঘরে ফিরে বমি করে ফেলেছে।’
ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা ঘটেনি আগে। বায়ু দূষণের কারণে খেলায় সাময়িক বিরতি আর খেলোয়াড়রা মাস্ক মুখে দেন মাঠে। মধ্যাহ্ন বিরতির পরে শ্বাস কষ্টে ভুগছিলেন পেসার লাহিরু গামাগে। তাতেই ১৭ মিনিট খেলা বন্ধ ছিল। অবস্থায় আরও ভয়াবহ হয় যখন সুরঙ্গ লাকমল সাজঘরে গিয়ে বমি করে ফেলেন। এই সময়েই ডাবল সেঞ্চুরিয়ান কোহলি ২৪৩ রানে আউট হন। কিছুক্ষণ পরই ইনিংস ঘোষণা করে ফেলে ভারত।
যদিও এই অবস্থায় খেলায় বিরতির পক্ষে ছিল না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। কোচ রবি শাস্ত্রী বার বার খেলায় ফিরে যেতে অনুরোধ করছিলেন। বিরক্তিও প্রকাশ করছিলেন। তবে বিষয়টা যে লঙ্কানদের জন্যে যে ভয়াবহ ছিল সেটা জানান লঙ্কান কোচ পথাস। এক পর্যায়ে শ্বাসকষ্টে আলাদা অক্সিজেনও নিতে হয় তাদের, ‘সাজঘরে অক্সিজেন নেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। খেলোয়াড়দের জন্যে বিষয়টি মোটেও স্বাভাবিক ছিল না। আমাদের দৃষ্টিতে বিষয়টি ছিল খুবই অস্বাভাবিক।’
শুধু লাকমলই নন নিজেকে সামলাতে পারেননি গামাগে ও ধনঞ্জয় ডি সিলভা। এরা সবাই বমি করে ফেলেন দূষণের কারণে। তখন ম্যাচ রেফারিও অবস্থা পর্যবেক্ষণে সাজঘরে ছিলেন।








