নিউজিল্যান্ডের কাছে ওয়ানডেতে ধবলধোলাইয়ের পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও হেরে বসেছিল পাকিস্তান। নিউজিল্যান্ড সফরে হারতে হারতে একেবারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায় পাকিস্তানের। জয়ের খোঁজে মরিয়া পাকিস্তান অবশেষে জয় তুলে নেয় দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে। রবিবার শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১৮ রানে জিতে অবশেষে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে পাকিস্তান। এই জয়ের ফলে নিউজিল্যান্ডকে টপকে টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠলো তারা।
ম্যাচের আগের দিন বড় ধাক্কা খেয়ে বসে পাকিস্তান। অনুশীলনে গোড়ালিতে চোট পেয়ে বসেন তারকা পেসার হাসান আলী। এমন খবর চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল পাকিস্তান শিবিরে। যদিও খেলতে নামার পর সব বাধা টপকে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতেও জয় তুলে নেয় পাকিস্তান। ম্যাচের আগে ছন্দ ধরে রাখার কথা বলেছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে তার প্রমাণ দিয়েছে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা। ওপেনার ফখর জামানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শুরুটা ছিল আগ্রাসী। চতুর্থ ওভারে আহমেদ শেহজাদ ঝড়ো গতিতে খেলে বিদায় নিলেও অপরপ্রান্ত থেকে ঝড় অব্যাহত রাখেন ফখর। ব্যক্তিগত ৪৬ রানে তাকে সাজঘরে ফেরান মিচেল স্যান্টনার। ৩৬ বলে ৪৬ রানে ফেরেন ফখর। যাতে ছিল ৫টি চার ও ১টি ছয়।
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে। তবে ব্যাটসম্যানরা সাজঘরে ফেরেন ঝড়ো গতিতে রান তুলেই। অধিনায়ক সরফরাজ ২৯ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন। শেষ দিকে হারিস সোহেলের চেষ্টায় ৬ উইকেটে ১৮১ রান তুলে পাকিস্তান। ১২ বলে ৩টি চারে অপরাজিত ছিলেন সোহেল। এছাড়া হাসান আলীর বদলি হিসেবে নামা আমির ইয়ামিনও ছিলেন দাপুটে। ৬ বলে ১টি চার ও ১টি ছয়ে অপরাজিত ছিলেন ১৫ রানে। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন মিচেল স্যান্টনার ও ইশ সোধি। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন মিচেল স্যান্টনার ও ইশ সোধি। একটি করে নেন গ্র্যান্ডহোম ও ট্রেন্ট বোল্ট।
জবাবে নিউজিল্যান্ড সমান তালে সেভাবে জবাব দিতে পারেনি। তারা ৬ উইকেটে সংগ্রহ করে ১৬৩ রান। ওপেনার মার্টিন গাপটিল ৫৯ রান করে মঞ্চটা গড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ দিকে সেভাবে ঝড় তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন বাকি ব্যাটসম্যানরা।
পাকিস্তানের পক্ষে ২টি উইকেট নেন শাদাব খান। একটি করে উইকেট নেন আমির ইয়ামিন, রুম্মন রঈস, মোহাম্মদ আমির ও ফাহিম আশরাফ। ম্যাচসেরা হন শাদাব খান আর সিরিজসেরা মোহাম্মদ আমির।








