গতবার এএফসি কাপের জোনাল সেমিফাইনালে খেলে ইতিহাস গড়েছিল ঢাকা আবাহনী। ঢাকায় প্রথম লেগে এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভকে হারানোও কম চমকজাগানো নয়। উত্তর কোরিয়ায় ফিরতি লেগে অবশ্য পেরে ওঠেনি।
এবার আবাহনীর এএফসি কাপের মিশন শুরু হচ্ছে অন্যভাবে। গতবার গ্রুপ পর্বে সরাসরি খেললেও এবার খেলতে হচ্ছে প্রিলিমারি রাউন্ডে। গ্রুপ পর্বে যেতে দুটি দলের বাধা পেরোতে হবে।
৫ ও ১২ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক পর্বে আবাহনীর প্রতিপক্ষ মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাব। প্রথম লেগ হবে ঢাকায়, পরেরটি মালেতে। এই রাউন্ডের বিজয়ী প্লে-অফ পর্বে ভারতের বেঙ্গালুরু এফসি-ভুটানের পারো এফসির বিজয়ীর সঙ্গে খেলবে। দুই লেগের প্লে-অফ বিজয়ী দল ‘ই’ গ্রুপে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস, ভারতের চেন্নাই সিটি ও মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসের সঙ্গে যোগ দেবে।
গতবার চোট সমস্যা ছিল, এবার তা নেই। আবাহনীর কোচ মারিও লেমস তাই আশাবাদী, ‘গতবার জোনাল সেমিফাইনালে খেলে আমাদের ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছিল। সেটা এবার কাজে লাগাতে চাই। দলের সব খেলোয়াড় সুস্থ আছে। মাজিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ভালো খেলতে হবে। তাহলে মালের ম্যাচে সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে মালদ্বীপের দলটি এখন লিগে খেলছে। কিন্তু আমাদের ফুটবলাররা খেলার মাঝে নেই। এটা হয়তো সমস্যায় ফেলতে পারে।’
এবার চাপ একটু বেশিই অনুভব করছেন আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ, ‘গতবার নক আউট পর্বে খেলেছিলাম। এবার প্রিলিমারি পর্ব থেকে শুরু করতে হবে। তাই চাপ একটু বেশি। তবে চাপকে জয় করে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের দলের সেই ক্ষমতা আছে।’
গতবার আবাহনীকে নক আউট পর্বে নিয়ে যেতে আফগান ডিফেন্ডার মাসিহ সাইগানির বড় অবদান ছিল। তিন গোল করেছিলেন তিনি। এবার সাইগানি নেই। তবে ব্রাজিলিয়ান মেলসন আলভেজ আছেন। আছেন নাইজেরিয়ান সানডে চিজোবা, হাইতির কেরভেন্স বেলফোর্ট ও কিরগিজস্তানের এডগার বার্নহার্ট।
স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে তেমন পরিবর্তন আসেনি। শুধু তপু ও ফাহাদের জায়গায় নাসির উদ্দিন ও মোহাম্মদ সোহেল রানা এসেছেন।
দল নিয়ে সন্তুষ্ট লেমস, ‘এবারের দল ভারসাম্যপূর্ণ। দেশি-বিদেশি মিলিয়ে দল খারাপ নয়।’








