এমনিতেই মেয়েদের ফুটবল লিগ নিয়মিত নয়। মাঠে গড়িয়েছে ছয় বছর পর। কিন্তু প্রথম পর্ব যেতে না যেতেই করোনার প্রকোপে বন্ধ হয়ে গেছে সেই লিগ। এখন মেয়ে ফুটবলাররা যে যার বাসায় থাকলেও এই পরিস্থিতিতে ফিটনেস ধরে রাখাই চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে মেয়েদের জাতীয় দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের কথা হলো, এখন নিরাপদে থাকাই বেশি জরুরী।
জাতীয় দলের তারকা অধিনায়ক সাবিনা খাতুন যেমন বাড়ির বারান্দাতেই অনুশীলন করছেন। কেউ কেউ তাকে অনুসরণ করছেন। আবার কেউ কেউ সেভাবে অনুশীলন করতে না পারায় ভীষণ হতাশও। জাতীয় দলের এই কোচ অবশ্য এসব নিয়ে খুব বেশি উদ্বিগ্ন নন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে এখন নিরাপদ থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ। খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমার নিয়মিত কথা হয়। তাদের সব সময় বলে আসছি, আগে নিরাপদে থাকো। তারপর ফিটনেস নিয়ে সচেতন হতে বলেছি। এতে হয়তো কেউ ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে পারবে, কেউ পারবে না।’
খেলা বন্ধ আছে এক মাস ধরে। তাতে মেয়েদের ফিটনেসে এক ধরনের প্রভাব পড়ছেই। ছোটন বললেন, এই সমস্যাটা এখন সারা বিশ্বেরই, ‘বাসায় বসে কী করতে হবে, তারা তো জানেই। বিশেষ করে যারা বাফুফের ক্যাম্পে ছিল। আর চলমান সমস্যাটা তো সারা বিশ্বেরই সমস্যা। তবে আমি মনে করি, সবার আগে এখন নিজেদের সুরক্ষা, এরপর ফিটনেস।’
ছোটন মনে করেন এখন নিরাপদে থাকলে পরে ফিটনেস নিয়ে কাজ করা যাবে, ‘এই কয়েক দিনে খেলোয়াড়দের ফিটনেস অনেক কমে যাওয়ার কথা। যেহেতু খেলা নেই। বাড়িতে বসে একা একা অনুশীলন করে ফিটনেস ধরে রাখাটাও কঠিন। আগের মতো তো আর ফিটসেন থাকবে না। তবে খেলোয়াড়েরা যদি নিজেদের নিরাপদে রাখতে পারে, তাহলে করোনা কেটে গেলে নতুন করে ফিটনেস নিয়ে কাজ করার সুযোগ থাকবে।’







