বৃহস্পতিবার দুপুরে মেসি ফাউন্ডেশনের অফিস ছেড়ে প্রথমবারের মতো ছেলে লিওনেল মেসির বাসায় গেছেন হোর্হে মেসি। রোজারিও থেকে বার্সেলোনায় আসার পরের ২৪ ঘণ্টায় যে ঝড়টা গেছে তার ওপর দিয়ে, তাতে সময়ই করে উঠতে পারেননি। দৈনিক মার্কার খবর, বাবা ও ছেলে এবার এই প্রথম একসঙ্গে খেয়েছেন দুপুরে। মধ্যাহ্নভোজটা আনন্দময় পরিবেশে হওয়ার কথা নয়। কারণ বার্সেলোনা থেকে মেসির যাওয়ার ব্যাপারটা যেমন জটিলতায় পড়ে গেছে, তাতে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সিনিয়র মেসি প্রথমবারের মতো এমনও বলেছেন যে লিওনেল মেসির বার্সেলোনা থেকে এ মৌসুমে যাওয়া নাও হতে পারে!
বুধবার ভোরে রোজারিও থেকে উড়ে এসেছেন হোর্হে মেসি। বা্র্সেলোনার এল প্রাত বিমানবন্দরে পৌঁছে তিনি সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যেতে চেয়েছিলেন। অনেক চাপাচাপির পর মেসি বার্সেলোনায় থেকে যাবেন কি না এমন প্রশ্নে শুধু বলেছিলেন, ‘কঠিন, কঠিন!’ সেই হোর্হেই বৃহস্পতিবার দুপুরে মেসি ফাউন্ডেশন থেকে বেরোনোর সময় মেসি এ মৌসুম বার্সেলোনায় থেকে যাচ্ছেন কি না প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, ‘আমি জানি না।’ লক্ষ্যনীয় যে, ‘কঠিন, খুব কঠিন’ শব্দগুলো রূপ বদলে নরম হয়েছে ‘আমি জানি না’।
এর আগে মেসির খালাতো ভাই ম্যাক্সি বিয়াঙ্কুচ্চি গলায় খানিকটা অনিশ্চয়তা ঢেলে বলেছেন, ‘আমার উপলব্ধি হলো বার্সেলোনা থেকে তার (মেসি) বিদায়টা এখন খুব স্পষ্ট নয়। আমি শতকরা ১০০ ভাগ নিশ্চিত নই যে সে ক্লাব ছাড়তে পারবে।’
আর্জেন্টিনার টিওয়াইসি স্পোর্টসের সাংবাদিক মার্টিন আলভারোর বিশ্বাস, মেসিকে বার্সেলোনায় এ মৌসুম থেকে যেতে হবে, ‘শতকরা ৯০ ভাগ সম্ভাবনা যে মেসিকে বার্সেলোনায় থেকে যেতে হবে। যতদূর জানি লিও (মেসি) ২০২১ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনায় থেকে যাওয়ার ব্যাপারে খুব গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে। কারণ চুক্তি শেষ হওয়ার পর সদর দরজা দিয়েই সে বেরিয়ে যেতে চায়।’
মেসি বার্সেলোনা ছাড়ার কথা জানিয়ে দেওয়ার পর থেকেই স্পেনের সংবাদমাধ্যম তার ব্যাপারে সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য জানাচ্ছে। তা থেকেই জানা গেছে সকালের দিকে লুইস সুয়ারেজ ও বার্সেলোনার এক কর্মী পেপে কস্তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে প্যাডেল ট্রেনিং করেছেন মেসি। বার্সার নতুন কোচ রোনাল্ড কোম্যান বৃহস্পতিবার বিরতি দিয়েছেন অনুশীলনে। সেজন্যই সুয়ারেজ ও কস্তা যেতে পেরেছেন মেসির বাড়িতে।








