পেনাল্টির সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হয়েছে শেখ রাসেল। যার মাশুল তাদের দিতে হয়েছে পরে। নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য ড্র হলে ম্যাচ গড়িয়েছিল অতিরিক্ত সময়ে। প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে শেখ রাসেলকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফেডারেশন কাপের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী।
শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে কেউ গোল দিতে পারেনি। দুটি গোলই এসেছে পরের অর্ধে। ১০৮ মিনিটে সতীর্থের ক্রস থেকে রাগিব হোসেন বাঁ পায়ের ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন প্রথমবার। ১১৩ মিনিটে নাইজেরিয়ান চার্লস দিদিয়েরের পাসে ব্যবধান বাড়িয়ে শেখ রাসেলকে ছিটকে দেন মান্নাফ রাব্বি। শেষ দিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনারও জন্ম দেয় শেখ রাসেল। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজতেই প্রতিপক্ষের কাওসার আলী রাব্বিকে ঘুষি মেরে লাল কার্ড দেখেন শেখ রাসেলের ফরোয়ার্ড তকলিছ আহমেদ।
এর আগে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের ম্যাচটি আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ জমে উঠেছিল ঠিকই, কিন্তু জাল কাঁপাতে পারেনি কেউ।
চট্টগ্রাম আবাহনীর দুই নির্ভরযোগ্য ফরোয়ার্ড ব্রাজিলিয়ান নিক্সান গুলের্মে ও চিনেদু ম্যাথিউ ছিলেন না ম্যাচে। প্রথম জন ছিটকে গেছেন চোটের কারণে, অন্যজন আক্রান্ত করোনায়। তারপরেও রাব্বি-সোহেল রানাদের নিয়ে লড়াই করেছে মারুফুল হকের দল।
চট্টগ্রাম আবাহনীর ভালো সুযোগটি নষ্ট হয় ২৬ মিনিটে। মান্নাফ রাব্বির ক্রসে ডি-বক্সের ভেতর থেকে চার্লস দিদিয়েরের শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। দশ মিনিট পর এই নাইজেরিয়ান আবারও হতাশ করেন বক্সের ভেতর থেকে গোলরক্ষক বরাবর শট নিয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধেও আবাহনী প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ দিয়ে খেলতে থাকে। তাতেও সাফল্য আসেনি। তবে এই অর্ধের ৬৩ মিনিটে সবচেয়ে বড় সুযোগ পায় শেখ রাসেল-ই। নাইজেরিয়ান ওবি মনেকে বক্সে ফেলে দিয়েছিলেন উজবেকিস্তানের ডিফেন্ডার পুলাতোভ শুকুর আলি। কিন্তু স্পটকিকে ব্রাজিলিয়ান সাড়ে ৬ ফুটি জিয়াকার্লো লোপেজ রদ্রিগেজের দুর্বল শট ফিরিয়ে দিয়েছেন নাইম।
কাল দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে সাইফ স্পোর্টিং মুখোমুখি হবে মোহামেডানের। ম্যাচটি শুরু হবে বিকেল ৪টায়।








