অধিনায়ক হিসেবে যা যা করার দরকার, তার সবটাই করছেন মাহমুদউল্লাহ। কখনও ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন দলের প্রয়োজনে, তো কখনও আবার জাদুকরী বোলিংয়ে দলকে নিশ্চিত হারের মুখ থেকে বাঁচিয়ে ছিনিয়ে আনছেন জয়। ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষেই যেমন আবার ব্যাট হাতে খুলনা টাইটানসের অধিনায়ক খেললেন অসাধারণ এক ইনিংস। তার ঝোড়ো হাফসেঞ্চুরির (৪৪ বলে ৬২) ওপর ভর দিয়েই ঢাকার বিপক্ষে ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেটে হারিয়ে ১৫৭ রানের স্কোর গড়েছে খুলনা।
চট্টগ্রামের শুরুটাও ভালো হয়নি খুলনার। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন হাসানুজ্জামান (০)। ওয়ান ডাউনে নামা শুভাগত হোমকে নিয়ে সেই চাপটা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন আরেক ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার। নামজুল হোসেন শান্তর বলে ক্যাচ দেন তিনি নাসির হোসেনের হাতে। তৃতীয় উইকেট জুটিতে অবশ্য সেই চাপটা কাটিয়ে উঠে খুলনা শুভাগত-মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে। তাদের ৪৪ রানের জুটিতে গতি পায় খুলনার স্কোরে। কিন্তু দারুণ খেলতে থাকা শুভাগত (২৪) ডোয়াইন ব্রাভোর বলে বোল্ড হয়ে গেলে ভাঙে তাদের জুটি। নিকোলাস পুরানও (১৬) ফিরে যায় দ্রুত।
যদিও এক প্রান্ত আগলে রেখে আরেকটি অসাধারণ ইনিংস খেলেন মাহমুদউল্লাহ। স্ট্রোকের ফুলঝুরিতে ৪৪ বলে তিনি খেলেছেন ৬২ রানের কার্যকরী ইনিংস। মোহাম্মদ শহীদের বলে ব্রাভোর হাতে ধরা পড়ার আগে ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছিলেন ৪ চার ও ৪ ছ্ক্কায়। আউট হওয়ার আগে পঞ্চম উইকেট জুটিতে খুলনা অধিনায়ক ৫৭ রানের জুটি গড়েছিলেন তাইবুর রহমানের সঙ্গে। তাইবুর ২৪ বলে অপরাজিত ছিলেন ২১ রানে। ঢাকার সফল বোলার ব্রাভো ২৭ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।
/কেআর/








