মাশরাফি বিন মুর্তজার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু ২০০১ সালে, আর মুশফিকুর রহিমের তার চার বছর পর। প্রায় এক যুগ ধরে জাতীয় দলে দুজনে সতীর্থ। অথচ বিস্ময়করভাবে দুজনে কখনও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে এক দলে খেলেননি! অবশেষে বাংলাদেশের দুই ক্রিকেট-তারকাকে এবার দেখা যাবে একই ক্লাবে। আগামী বুধবার শুরু হতে যাওয়া লিগে দুজনের দল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়কের ক্লাব সতীর্থ হতে পেরে রোমাঞ্চিত টেস্ট অধিনায়ক।
শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে দলবদল করতে পারেননি মুশফিক। ঢাকায় ফেরার পর আর দেরি করেননি, রবিবার বিকালে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে চলে যান দলবদলে অংশ নিতে। গত মৌসুমে মোহামেডানের হয়ে খেলা মুশফিক এবার বেছে নিয়েছেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে। মাশরাফি অবশ্য শ্রীলঙ্কায় রওনা হওয়ার আগেই কলাবাগান ছেড়ে রূপগঞ্জে নাম লিখিয়ে যান।
ক্লাব ক্রিকেটে মাশরাফির সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়ে মুশফিকের কণ্ঠে দারুণ উত্তেজনা, ‘এই প্রথম ঢাকা লিগে আমরা একসঙ্গে খেলছি। মাশরাফি ভাইয়ের সঙ্গে খেলতে পারা আমার জন্য অনেক গৌরবের। আশা করব, এবারের লিগ যেন আমাদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকে।’
জাতীয় দলের দুই অধিনায়ক থাকায় স্বাভাবিকভাবেই মধুর সমস্যায় পড়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। যদিও ক্লাব সূত্রে জানা গেছে কে অধিনায়কত্ব করবেন, সেই সিদ্ধান্তের ভার রূপগঞ্জ ছেড়ে দিয়েছে মাশরাফি ও মুশফিকের ওপরে। দুই- এক দিনের মধ্যেই হয়তো জানা যাবে কার কাঁধে থাকবে রূপগঞ্জের অধিনায়কের দায়িত্ব।
গত মৌসুমে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ১৬ ম্যাচে ৫৯৬ রান করেছিলেন মুশফিক। এবারও লিগে ভালো খেলতে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, ‘উন্নতির কোনও শেষ নেই। যেখানেই খেলি, চেষ্টা করি পারফরম্যান্স দিয়ে দলে থাকার। সবাই চায় আমি যেন আরও ভাল খেলি। এটা অন্যরকম চ্যালেঞ্জ।’
রূপগঞ্জের এবারের দলটি কাগজে-কলমে যথেষ্ট শক্তিশালী। মাশরাফি-মুশফিকের সঙ্গে আছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত আলো ছড়ানো নাঈম ইসলাম ও মোহাম্মদ শরীফ। আছেন হাসানুজ্জামান, পিনাক ঘোষ, ইয়াসির আলি জাভেদের মতো প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটাররাও।
/আরআই/এএআর/








