৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। আর এক ম্যাচ কম খেলে ৬ পয়েন্টে দুইয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
শনিবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়ে শীর্ষস্থানে বসেছিল কলকাতা। একদিন পরই তাদের স্থানচ্যুত করল মুম্বাই। গুজরাট লায়ন্সের বিপক্ষে রবিবার ৬ উইকেটে টানা চতুর্থ জয় পেয়েছে তারা।
গত শুক্রবার রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টের বিপক্ষে আইপিএলের প্রথম জয় পেয়েছিল গুজরাট। দ্বিতীয় ম্যাচেও তারা মারকুটে ব্যাটিংয়ে করে ৪ উইকেটে ১৭৬ রান। অবশ্য টানা তিন জয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থাকা প্রতিপক্ষকে হারাতে এ স্কোর যথেষ্ট ছিল না। ১৯.৩ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৭ রান করে মুম্বাই।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে অতিথিদের ব্যাটিংয়ে পাঠায় মুম্বাই। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ডোয়াইন স্মিথকে বিদায় করে দুর্দান্ত সূচনা করে স্বাগতিকরা। শূন্য রানে মিচেল ম্যাকক্লেনাঘান সাজঘরে পাঠান এ ওপেনারকে।
ওই ধাক্কা অবশ্য সামলে উঠেছিল গুজরাট। ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও অধিনায়ক সুরেশ রায়না ৮০ রানের জুটি গড়েন। রায়না ২৮ রানে আউট হওয়ার কিছুক্ষণ পরই ওই শক্ত জুটির আরেক কারিগর ম্যাককালাম নেই। ৪৪ বলে ৬ চার ও ৩ ছয়ে ইনিংস সেরা ৬৪ রানে আউট হন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক।
ক্রিজে দাঁড়িয়ে যান দিনেশ কার্তিক। তার ২৬ বলে ২টি করে চার ও ছয়ে সাজানো ৪৮ রানের অপরাজিত ইনিংসে স্কোরবোর্ডকে মজবুত করে গুজরাট।
মুম্বাই জবাব দিতে নামলে গুজরাটও বোলিংয়ে দারুণ শুরু করে। তারাও দ্বিতীয় বলেই উইকেট পায়। প্রবীন কুমার শূন্য রানে নেন পার্থিব প্যাটেলের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটি।
তবে নিতিশ রানা ব্যাট হাতে ঝড় তুললে আর ভাবতে হয়নি মুম্বাইকে। আসরে নিজের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরির ইনিংস খেলেন তিনি। ৩৬ বলে ৪টি চার ও ২টি ছয়ে ৫৩ রান করেন রানা।
তার দেখানো পথে দলকে জয়ের বন্দরে নেন রোহিত শর্মা। ২৯ বলে তিন চার ও এক ছয়ে ৪০ রানে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক। কিয়েরন পোলার্ডের ২৩ বলে ২ চার ও ৩ ছয়ে ৩৯ রানের ইনিংসও ছিল গুজরাটের জন্য দুঃস্বপ্নের। সূত্র- ক্রিকইনফো
/এফএইচএম/








