প্রায় ৯ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রোটিয়াদের মাটিতে দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টির লড়াইয়ে কঠিন পরীক্ষাই দিতে হবে টাইগারদের। টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি নিয়ে তেমন আশার কথা শোনাতে পারছেন না সাকিব আল হাসান। তবে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সাফল্যের ব্যাপারে তিনি দারুণ আশাবাদী।
২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার প্রোটিয়াদের মাঠেও কি তেমন সাফল্য সম্ভব? মঙ্গলবার সাকিবের বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের জবাব, ‘আসলে ফল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা খুব কঠিন। টেস্ট সিরিজ অবশ্যই কঠিন হবে। তবে ওয়ানডেতে আমাদের খুব ভালো সম্ভাবনা আছে। সফরটা আমাদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং হবে। আর ওয়ানডের তুলনায় টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট বেশি কঠিন হবে।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিবের অভিষেক হয়েছিল ২০০৬ সালে। তার দুই বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যায় বাংলাদেশ। সেবার বিশেষ করে টেস্ট সিরিজে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ছিল সাকিবের। দুই টেস্টের দুই ইনিংসে বোলিং করার সুযোগ পেয়ে তিনি তুলে নিয়েছিলেন ১১ উইকেট। প্রথম টেস্টে ৩৮ ওভার বল করে ১৩০ রানের বিনিময়ে শিকার করেছিলেন ৫ উইকেট। পরের টেস্টে ২৮ ওভার বল করে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন ৯৯ রানে। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ দুই টেস্টেই হার মেনেছিল ইনিংস ব্যবধানে।
সেবারের চেয়ে বাংলাদেশ এখন অনেক পরিণত, আত্মবিশ্বাসী দল। তবে টাইগারদের জন্য দুঃসংবাদ, বিশ্রাম দেওয়ায় সাকিব দুই টেস্টের সিরিজে নেই। তিনি নিজে অবশ্য এ নিয়ে তেমন চিন্তিত নন, ‘আমার না থাকা দলে খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না। কারণ দুনিয়ায় কোনও কিছুই কারও জন্য অপেক্ষা করে না। আমি আশা করি এবং মন থেকে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ অনেক ভালো করবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর সবার জন্যই চ্যালেঞ্জিং। তাই সবার ভেতর বাড়তি তাগিদ থাকবে ভালো কিছু করার।’








