১৭তম ওভারের চতুর্থ বল। শুভাশিষ রায়ের ইয়র্কার বলটি খেললেন ব্যাটসম্যান মাশরাফি বিন মুর্তজা। সে পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু পরের দৃশ্যটা ছিল চরম অনাকাঙ্খিত। মাশরাফির সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে তার দিকে তেড়ে গেলেন শুভাশিষ! ওই ঘটনায় শুভাশিষের ভাবভঙ্গিতে আক্রমণাত্মক মনোভাব স্পষ্ট দেখা গেলেও ‘দোষ’ নিজের কাঁধেই নিয়েছেন মাশরাফি। এমনকি চিটাগং ভাইকিংস পেসারকে তার ‘স্যরি’ বলা উচিত বলেও সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক।
ভাইকিংসের বিপক্ষে মাশরাফির রংপুর রাইডার্স হেরেছে ১১ রানে। ওই ম্যাচের ১৭তম ওভারের চতুর্থ বলের সময় রংপুরের জয়ের জন্য দরকার ছিল ২১ বলে ৩৮ রান। ওই ওভারে শুভাশিষের আগের বলে, মানে তৃতীয় বলে বাউন্ডারি মেরেছিলেন মাশরাফি। স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা ক্ষুব্ধ ছিলেন শুভাশিষ। পরের বলটা ইয়র্কার দিলে মাশরাফির ব্যাট ছুঁয়ে বল আসে শুভাশিষের হাতে। বলটা ধরেই তিনি ছুড়ে মারতে চাইলেন মাশরাফির দিকে। বিষয়টা ভালো লাগেনি বাংলাদেশেরে ওয়ানডে অধিনায়কের। হাত দিয়ে শুভাশিষকে ইশারা করেন ‘দূরে যেতে’।
ঘটনাটা আরও জটিল হয় মাশরাফির দিকে শুভাশিষ তেড়ে গেলে। ক্রিজের মাঝখানে দুজনের বাদানুবাদ থামাতে দৌড়ে আসেন ভাইকিংসের খেলোয়াড়রা। তাতেও থামছিলেন না শুভাশিষ। আবারও তেড়ে যেতে চাইছিলেন মাশরাফির দিকে।
সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ক প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার অনেক চেষ্টা করেছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত জবাবটা এলো মাশরাফি-সুলভ হয়েই। দোষ নিজের কাঁধে নিয়ে ওই ঘটনা নিয়ে বললেন, ‘আমি মনে করি তাকে (শুভাশিসকে) আমার স্যরি বলা উচিত।’ কেন? তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মাশরাফি, ‘আমার মনে হয় এটা ক্রিকেটের অংশ। এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই পারে। ওর জায়গা থেকে ও ঠিক আছে। ও যেহেতু আমার ছোট, তাই আমার মাথা ঠাণ্ডা রাখা উচিত ছিল, কারণ আমি ওর বড়।’








