প্রথম দিন সেঞ্চুরি করেছিলেন সাদমান ইসলাম। দ্বিতীয় দিনে সেঞ্চুরি পূরণ করলেন মার্শাল আইয়ুব। জোড়া শতকে ভর দিয়ে রানের পাহাড় গড়েছে মধ্যাঞ্চল। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) চতুর্থ রাউন্ডে উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে করেছে তারা ৫২৯ রান।
মার্শাল প্রথম দিন শেষ করেছিলেন ২০ রানে অপরাজিত থেকে। দ্বিতীয় দিনে দলের সঙ্গে ব্যক্তিগত সংগ্রহ বাড়িয়ে পূরণ করেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ১৬তম সেঞ্চুরি। আরিফুল হকের বলে জুনায়েদ সিদ্দিকের হাতে ধরা পড়ার আগে খেলে যান ১৩২ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। ২১০ বলের ইনিংসটি মার্শাল সাজিয়েছিলেন ১৪ চার ও ১ ছক্কায়।
তার সঙ্গে দিন শুরু করা মাহমুদউল্লাহ অবশ্য সুবিধা করতে পারেননি। মধ্যাঞ্চলের অধিনায়ক আউট হয়ে যান ২৬ রান করে। ইরফান শুক্কুরও (০) ব্যর্থ। তবে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন তানভীর হায়দার ও মোশাররফ হোসেন। তানভীর ৪৬ রান করে আউট হলেও মোশাররফকে আউটই করতে পারেননি উত্তরাঞ্চলের বোলাররা।
বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও যে তিনি কার্যকর, তার প্রমাণ আরেকবার দিলেন এই স্পিনার। হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে অপরাজিত ছিলেন ৮৩ রানে। সঙ্গী পেলে হয়তো প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরিও পেয়ে যেতেন মোশাররফ। ১৩১ বলের ইনিংসে তিনি সাজান ১৩ বাউন্ডারিতে।
মধ্যাঞ্চলের রান উৎসবে উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে সফল বোলার আরিফুল। ৭৯ রানে তিনি পেয়েছেন ৪ উইকেট। আর ২টি করে উইকেট পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম ও সানজামুল ইসলাম।
মধ্যাঞ্চলের অলআউটের পর ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ১ ওভার খেলতে পেরেছে উত্তরাঞ্চল। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে স্কোরে কোনও রান যোগ করতে পারেননি দুই ওপেনার মিজানুর রহমান (০) ও জুনায়েদ সিদ্দিক (০)।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
(দ্বিতীয় দিন শেষে)
মধ্যাঞ্চল: প্রথম ইনিংসে ১৭৪.১ ওভারে ৫২৯ (মার্শাল ১৩২, সাদমান ১০৭, সাইফ ৯৪, মোশাররফ ৮৩*, তানভীর ৪৬; আরিফুল ৪/৭৯, শরিফুল ২/৯৬, সানজামুল ২/১২৭)।
উত্তরাঞ্চল: প্রথম ইনিংসে ১ ওভারে ০/০ (মিজানুর ০, জুনায়েদ ০)।







