আরিফুল হকের ডাবল সেঞ্চুরিতে রংপুরের রানের পাহাড়ে চাপা পড়েছে বরিশাল বিভাগ। মিজানুর রহমানের সেঞ্চুরির সঙ্গে ফরহাদ রেজা ও জহুরুল হকের হাফসেঞ্চুরিতে জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম স্তরের আরেক ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে বড় লিড নিয়েছে রাজশাহী।
রংপুর-বরিশাল বিভাগ
জাতীয় ক্রিকেট লিগে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেছেন আরিফুল। এশিয়া কাপে না খেললেও জাতীয় দলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত যান তিনি। ফিরেই প্রথম শ্রেণির ম্যাচে দুর্দান্ত এক পারফরম্যান্স করলেন, তাতে রংপুর প্রথম ইনিংসে করেছে ৫০২ রান। জবাবে বরিশাল ১ উইকেটে ৯১ রানে দিন শেষ করেছে।
মঙ্গলবার বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে আরিফুল দিন শুরু করেন ১১৭ রানে, খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ২৩১ রানের ইনিংস। তার আগে তিনি এদিন ধীমান ঘোষের (২৮) সঙ্গে ৪৯, সোহরাওয়ার্দী শুভকে (৪৫) নিয়ে ৬৫ এবং ৭৪ রানের জুটি গড়েন মোহাম্মদ সাদ্দামের (৬) সঙ্গে ক্রিজে থেকে।
যে কোনও ধরনের ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সেরা ইনিংস আরিফুল সাজান ২১ চার ও ৪ ছয়ে।
বরিশালের পক্ষে সোহাগ গাজী ও মনির হোসেন সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া কামরুল ইসলাম রাব্বি পান দুটি উইকেট।
বরিশালের শুরুটা খারাপ হয়নি। ওপেনিং জুটিতে ৭১ রান তুলে ওপেনার শাহরিয়ার নাফিস (২৪) আউট হলেও বাকি সময়টা রাফসান মাহমুদ (৫৩) ও ফজলে রাব্বি (১২) ক্রিজে থেকে দিন শেষ করেন। রাফসান ১০৮ বলে ৯ চারে তার ইনিংসটি সাজিয়েছেন।
বরিশালের একমাত্র উইকেটটি শিকার করেছেন মাহমুদুল হাসান লিমন।
খুলনা-রাজশাহী বিভাগ
শফিউল ইসলামের বোলিং তোপে খুলনার ইনিংস ২১০ রানেই থেমে যায়। মঙ্গলবার ১২২ রানে দিন শুরু করে রাজশাহী লিড নিয়েছে ২৩৬ রানের। ৬ উইকেটে ৪৪৬ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে রাজশাহী।
৭৪ রানে অপরাজিত মাঠে নামা মিজানুর রহমানকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি জুনায়েদ সিদ্দিকী। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই আউট হন তিনি ৪ রানে। তারপর ফরহাদ রেজার সঙ্গে ৮৯ রানের শক্তি জুটি গড়েন মিজানুর। ১১৫ রানে তিনি আউট হলে ভাঙে এই জুটি। ফরহাদ ৮৩ রানে আউট হলেও জহুরুলের অপরাজিত ৯১ রানে ভার করে লিড বাড়িয়ে নিচ্ছে রাজশাহী।
৫৭ রানে তিন উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার আফিফ হোসেন।








