সব ধরনের ক্রিকেট থেকে দুই বছর নিষিদ্ধ হয়েছেন সাকিব। এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা থাকায় ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর মাঠে ফিরতে পারবেন তিনি। যাতে আগামী এক বছরে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার সুযোগ থাকছে না তার। তাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কেন্দ্রীয় চুক্তিতেও থাকছেন না তিনি।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সঙ্গেই বিসিবি ও সাকিবের চুক্তি বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় এখনই সাকিবের চুক্তির বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি বিবিসির এই কর্তা।
বুধবার সংবাদ মাধ্যমকে সাকিবের চুক্তি বাতিল প্রসঙ্গে নিজামউদ্দিন বলেছেন, ‘এটা (চুক্তি) অবশ্যই বাতিল হওয়ার কথা। যে নিয়ম আছে, সেই অনুযায়ী এটা ২৯ অক্টোবর থেকেই বাতিল হওয়ার কথা। তবে বোর্ড এখনও এই বিষয়ে যেহেতু কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি, তাই এটা এখনই বাতিল হয়ে গেছে- এমনটা আমি বলতে পারি না।’
ক্রিকেটারদের চলমান চুক্তি শেষ হবে এ বছরের শেষে। নতুন বছরের শুরুতে ঘোষণা করা হবে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা খেলোয়াড়দের নাম। বিসিবির প্রধান নির্বাহীর বক্তব্য, ‘বিসিবির চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের সংখ্যা এখন ১৮। ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিসিবির এই চুক্তি শেষ হচ্ছে ডিসেম্বরে। সামনের বছরের জানুয়ারিতে তাদের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি হবে।’
সাকিব ছিলেন বিসিবির শীর্ষ গ্রেডের চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের একজন। চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার হিসেবে বিসিবি থেকে মাসে সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা বেতন পেতেন তিনি।







