এর চেয়ে ভালো প্রত্যাবর্তন আর হতে পারে না। আগের আইপিএল খেলতে পারেননি নিষেধাজ্ঞায়, ২০১৯ সালে ফিরেই ডেভিড ওয়ার্নার রানের বৃষ্টি ঝরান সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সিতে। শেষ কয়েক ম্যাচ খেলতে না পারলেও লিগ শেষে তারই সর্বোচ্চ রান। গত বছরের আইপিএলের আগেই ভারত সফরে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। নিষেধাজ্ঞায় সেটি খেলতে না পারায় এবারের ভারত সফরে ভীষণ রোমাঞ্চিত এই ওপেনার। ভারতে নামার আগেই হুংকার ছাড়লেন, তারা আসছেন!
গত বছরের মার্চে ভঙ্গুর দল নিয়েও ঘুরে দাঁড়ানোর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত গড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ভারতের মাটিতে ২-০-তে পিছিয়ে পড়েও পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ অ্যারন ফিঞ্চরা জিতে নিয়েছিল ৩-২ ব্যবধানে। সেবারের তুলনায় এবারের অস্ট্রেলিয়া আরও শক্তিশালী। ঘরের মাঠে টানা পাঁচ টেস্ট জয়ের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভারতে দলের সঙ্গে আসছেন স্টিভেন স্মিথ ও ওয়ার্নার। তিন ম্যাচের ওয়ানডের আগে ওয়ার্নার হুংকার তো ছাড়বেনই।
১৪ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার লড়াই। পরের দুই ম্যাচ ১৭ ও ১৯ জানুয়ারি যথাক্রমে রাজকট ও বেঙ্গালুরুতে। এই সিরিজের উদ্দেশে ভারতে আসার আগে সতর্কবার্তা পাঠিয়ে রাখলেন ওয়ার্নার। নিজের ইনস্টাগ্রামে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান লিখেছেন, ‘ভারত, আমরা আসছি!!’
আইপিএল খেলার কারণে ভারতে ওয়ার্নারের ভক্ত কম নয়। তাদের দেখার অপেক্ষাতেও আছেন তিনি, ‘তিন ম্যাচের দুর্দান্ত একটি সিরিজ হতে যাচ্ছে। আমাদের সব ভারতীয় সমর্থককে দেখার জন্যও আমি উন্মুখ।’
আগের ভারত সফরে ওয়ার্নার-স্মিথ না থাকলেও চমক দেখিয়েছিলেন অধিনায়ক ফিঞ্চ। সেবারের ঘুরে দাঁড়ানো পারফরম্যান্স আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার সীমিত ওভারের অধিনায়ককে। তিনিও জানিয়ে রাখলেন, ভারতের বিপক্ষে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত অস্ট্রেলিয়া।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফিঞ্চ বলেছেন, ‘এই সব (উপমহাদেশের) কন্ডিশনে আমাদের গেম প্ল্যান যথেষ্ট ভালো, আর এটাই আমাদের সবচেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। উপমহাদেশে খেলতে গেলে যা হয়, সেটা হলো নিজের ম্যাচ পরিকল্পনা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়। ওই এলাকার দলগুলো ভালো অবস্থানে থাকলে আপনার ওপর চাপ তৈরি করবে। তারা আপনার নিজের মধ্যেই সন্দেহ তৈরি করবে দেবে।’
তবে এই জায়গায় অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তুতি ভালো বলে মনে করেন ফিঞ্চ, ‘আমরা জানি আমাদের ম্যাচ পরিকল্পনা ভালো। সঙ্গে এটাও জানি ভারতকে ভারতের মাটিতে হারানোর ক্ষমতা আমাদের আছে। ওখানে যাওয়ার পথে এটা আমাদের আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।’








