হয়েছে শুধু রান উৎসব। ব্যাটসম্যানের দাপটে বোলাররা ছিলেন বড্ড অসহায়। যা ক্রিকেটের ‘ফেয়ার প্লের’ সঙ্গে বেমানান। তাই ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামের উইকেট ছিল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসির) আতস কাঁচের নিচে। ক্যান্ডির উইকেটকে ‘গড়পড়তার নিচে’ মূল্যায়ন করে শাস্তি দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার প্রথম টেস্ট হয়েছে নিষ্প্রাণ ড্র। ব্যাটিং স্বর্গে পাঁচ দিনে তিন ইনিংসও শেষ করা যায়নি। ড্র হওয়ার এই টেস্টের ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মদুগালে ক্যান্ডির উইকেটকে ‘গড়পড়তার নিচে’ মূল্যায়ন করেছেন। যার শাস্তি হিসেবে পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামের নামের পাশে যোগ হয়েছে ১ ডেমেরিট পয়েন্ট।
আইসিসি থেকে দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়েছে বিষয়টি। যেখানে মধুগালে বলেছেন, ‘পাঁচ দিনে পিচের আচরণ সামান্যই বদলেছে। ম্যাচ এগিয়ে নেওয়ার পথে ব্যাট ও বলের ভারাসাম্যে তেমন কোনও পরিবর্তন আসেনি। পিচের পুরোটাই ছিল ব্যাটিং সহায়ক।’
ব্যাটসম্যানরা উইকেটের সুবিধা তুলে নেওয়ায় ক্যান্ডি টেস্টে রান উঠেছে ১ হাজার ২৮৯। অন্যদিকে উইকেট পড়েছে মাত্র ১৭টি, অর্থাৎ প্রতি উইকেটে জন্য খরচ হয়েছে ৭৫.৮২ রান। মদুগালে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেছেন, ‘আইসিসির গাইডলাইন অনুযায়ী, এই পিচ গড়পড়তার নিচে।’
গড়পড়তার নিচে উইকেট বিচার করা হলে এমনিতেই ১ ডেমেরিট পয়েন্ট যোগ হয় ভেন্যুর সঙ্গে। ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে চালু হওয়া আউটফিল্ড রিটের নিয়ম অনুযায়ী, এই ডেমেরিট পয়েন্টের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। এই সময়কালের মধ্যে যোগ হওয়া পয়েন্টের সংখ্যা ৫ হলেই ওই ভেন্যু ১২ মাসের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হবে।
আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় টেস্টও হবে ক্যান্ডিতে। পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামের এবারের পিচ বোলারদের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ দলের টিম লিডার খালেদ মাহমুদ সুজন।









