প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটাও অস্বস্তিতে হয়েছে বাংলাদেশের। সাবধানী শুরুর পর দ্বিতীয় দিনের শেষ ভাগে হারিয়েছে দুই উইকেট। তার পর অবশ্য দুই তরুণ মাহমুদুল হাসান জয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত দিনটা নির্বিঘ্নেই পার করেছেন। তৃতীয় দিনের শুরুতেও আত্মবিশ্বাসী মনে হয় তাদের। কিন্তু বাজে শট সিলেকশনে আধাঘণ্টার মতো স্থায়ী হয়েছে শান্তর প্রতিরোধ।
অ্যান্টিগায় ৩০ ওভার শেষে ৩ উইকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে সংগ্রহ ৬৫ রান। বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে আর ৯৭ রানে। ক্রিজে আছেন মুমিনুল হক (০) ও মাহমুদুল হাসান জয় (২৪)।
দ্বিতীয় ইনিংসে সতর্ক শুরুর দিকে মনোযোগী ছিলেন দুই ওপেনার। তামিম ইকবাল-মাহমুদুল হাসান জয় মিলে ভালো শুরুর ইঙ্গিতও দিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু দশম ওভার পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে তামিমের প্রতিরোধ। আলজারি জোসেফের সুইং করা গুড লেংথের ডেলিভারি ঠিকমতো ডিফেন্ড করতে পারেননি। বল ব্যাটের কানায় লেগে জমা পড়ে জশুয়া ডা সিলভার গ্লাভসে। ৩১ বল খেলা তামিম ফেরেন ২২ রানে। তুলনায় জয় ছিলেন বেশি সাবধানী। মিরাজ ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন পেয়ে তার সঙ্গী হতে চাইলেও পরিকল্পনা কাজে দেয়নি। ২ রানে জোসেফের বাড়তি বাউন্সারে পরাস্ত হয়ে ধরা পড়েছেন প্রথম স্লিপে।
তার পর হালকা প্রতিরোধে দ্বিতীয় দিনটা নির্বিঘ্নে পার করেন জয়-শান্ত। তৃতীয় দিনেও এই প্রতিরোধ টেকে ৩০ মিনিটের বেশি। ২৯ রান যোগ করা জুটিটি ভাঙে শান্তর বাজে শট সিলেকশনে। কাইল মেয়ার্সের বাড়তি বাউন্সের বলটা খেলতে গিয়েই এজ হয়ে জমা পড়েন ক্যাম্পবেলের হাতে। তাতে ৪৫ বল খেলা ব্যাটারের ইনিংস শেষ হয় ১৭ রানে।
বাংলাদেশ টস হেরে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০৩ রানে গুটিয়ে গেছে। ক্যারিবীয়দের ২৬৫ রানে আটকে রাখা গেলেও প্রথম ইনিংসের ১৬২ রানের লিড তাদের এগিয়েই রেখেছে। দ্বিতীয় দিন মূলত ব্র্যাথওয়েট ৯৪ রানে ফিরতেই দুর্বল হয়ে পড়ে স্বাগতিকদের প্রতিরোধ। তার উইকেট নেন খালেদ। এর পর মিরাজের ঘূর্ণিজাদুতে বেশিদূর এগোয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস।
সবচেয়ে সফল মিরাজ ৫৯ রানে নেন ৪টি উইকেট। ৫৯ রানে দুটি নেন খালেদ আহমেদ। ৬৫ রানে এবাদত হোসেনও নেন দুটি। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ, সাকিব।









