খুব বেশি দিন হয়নি। কয়েকদিন আগের কথা। ঘরের মাঠের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের কাছে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ২০০ রান করতে পারেনি তিন ম্যাচের একটিতেও। সেই ক্যারিবিয়ানরাই ৫০ ওভারের ম্যাচে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল ভারতকে! ৩০৯ রানের কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে শ্বাসরুদ্ধকর শেষ ওভারে হেরেছে মাত্র ৩ রানে।
ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনের প্রথম ওয়ানডেতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ভারত ৭ উইকেটে স্কোরে জমা করে ৩০৮ রান। কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে রোমারিও শেফার্ড ও আকিল হোসেইনের ব্যাটে সমীকরণ মিলিয়ে দিচ্ছিল ক্যারিবিয়ানরা। যদিও ৬ উইকেটে ৩০৫ রানে থামতে হয় তাদের। ফলে ৩ রানের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-০তে এগিয়ে গেছে ভারত।
বাংলাদেশের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে ভারতের। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও পথ হারায়নি। বরং ভারতকে কাঁপিয়ে দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ সিরিজে পথ হারানো কাইল মায়ার্স খেলেন অসাধারণ ইনিংস। ৬৮ বলে ১০ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় করেন সর্বোচ্চ ৭৫ রান। এছাড়া ব্রেন্ডন কিংসের ব্যাট থেকে আসে ৫৪ রান। শামারাহ ব্রুকস ৪৬ ও নিকোলাস পুরান করেন ২৫ রান। এরপর শেষ দিকে শেফার্ড ২৫ বলে ঝড়ো ৩৯* ও আকিল ৩২ বলে অপরাজিত ৩২ রান করলেও একটুর জন্য জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেনি ক্যারিবিয়ান তরী।
শেষ ওভারে জিততে ১৫ রান দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তবে মোহাম্মদ সিরাজ দেন ১১ রান। এই পেসার ১০ ওভারে ৫৭ রান খরচায় পেয়েছেন ২ উইকেট। তার মতো ২টি করে উইকেট শিকার শার্দূল ঠাকুর ও যুজবেন্দ্র চাহালের।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত দারুণ শুরু পায় শিখর ধাওয়ান ও শুবমান গিলের জুটিতে। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ১১৯ রান। শুবমান ৫৩ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় খেলেন ৬৪ রানের ইনিংস। তবে ধাওয়ান হাঁটছিলেন সেঞ্চুরির পথে। কিন্তু ভাগ্য খারাপ। মাত্র ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরি পাননি এই সিরিজে অধিনায়কের দায়িত্ব সামলানো বাঁহাতি ওপেনার। ৯৯ বলে ১০ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৯৭ রান করে ম্যাচসেরা তিনি।
এছাড়া শ্রেয়াস আইয়ারের ৫৪, দীপক হুডার ২৭ ও অক্ষর প্যাটেলের ২১ রানে ৩০৮ রান সংগ্রহ করে ভারত।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের আলজারি জোসেফ ও গুদাকেশ মোতি দুজনই পেয়েছেন ২টি করে উইকেট।









