গত বছর টেস্টে বেন স্টোকসের নেতৃত্বেই আলো ছড়িয়েছে ইংল্যান্ড। তাছাড়া গত অক্টোবর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আরেকটি ফাইনালেও উপহার দিয়েছেন ম্যাচ জেতানো ইনিংস। তবে গত গ্রীষ্মে টেস্টে তার নেতৃত্বে আসার পর ইংলিশদের ভাগ্য পুরোপুরি বদলে গেছে। ১২ ম্যাচের মধ্যে জিতেছে ১০ টিতেই। যার স্বীকৃতি দিয়েছে ক্রিকেটের বাইবেল খ্যাত খ্যাত উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক। উইজডেনের এই বছরের সংস্করণে বেন স্টোকসকে বছরের পুরুষ লিডিং ক্রিকেটার ইন দ্য ওয়ার্ল্ড তথা শীর্ষ ক্রিকেটারের সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।
চার বছরে তিন বার ব্যাট-বলে আলো ছড়ানোর স্বীকৃতি স্বরূপ এই সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। এর আগে জিতেছেন ২০২০ ও ২০২১ সালেও।
লাল বলে নিউ জিল্যান্ড, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাফল্যের পর পাকিস্তান সফরে তো ইতিহাসই লিখেছে ইংল্যান্ড। প্রথম দল হিসেবে ৩-০ ব্যবধানে জিতেছে টেস্ট সিরিজ। তাতে দ্রুততম সময়ে ১২ ম্যাচে ১০টি টেস্ট জেতা প্রথম ইংলিশ অধিনায়ক হিসেবে নাম লিখিয়েছেন। সর্বশেষ দ্রুততম ছিলেন মাইকেল ভন। তার লেগেছিল ১৬ ম্যাচ।
টি-টোয়েন্টিতে বছর জুড়ে আলো ছড়িয়ে স্বীকৃতি মিলেছে ভারতের সূর্যকুমার যাদবেররও। টি-টোয়েন্টির লিডিং ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন ভারতীয় এই ব্যাটার। গত বছর ইংল্যান্ড ও নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৮ ও ৪৯ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১৮৭ স্ট্রাইক রেটে ১ হাজার ১৬৪ রান তুলেছেন। তাতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ব্যাটার হিসেবে হাজার রান নিয়ে বছর শেষ করার দুর্লভ কীর্তি গড়েছেন তিনি।
উইজডেনের বর্ষসেরা পাঁচ ক্রিকেটারের দলে অবশ্য জায়গা হয়নি তার। উইজডেনের বার্ষিক এই সম্মাননায় জায়গা হয়েছে টম ব্লান্ডেল, বেন ফোকস, হারমানপ্রীত কৌর, ড্যারিল মিচেল ও ম্যাথিউ পটসের।
টেস্টের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে এবারই প্রথম চালু হয়েছে উইজডেন ট্রফি। যার প্রথম বিজয়ী জনি বেয়ারস্টো! টেস্টে ইংল্যান্ডের ‘বাজবল’ উত্থানের অন্যতম কারিগর ছিলেন তিনি। গত গ্রীষ্মে ৬৮১ রান আসে তার ব্যাট থেকে।









