১৪ বছর ধরে ঢাকা লিগের শিরোপাবঞ্চিত মোহামেডান। ২০০৯-১০ মৌসুমে বিমানকে পেছনে ফেলে শেষবার শিরোপা জিতেছিল তারা। এত বছর কেটে গেলেও সেই খরা এখন পর্যন্ত কাটাতে পারেনি সাদা-কালো শিবির। চলতি মৌসুমের শেষ রাউন্ডে সৌম্য সরকারের সেঞ্চুরিতে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে ৪ উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের পাঁচে থেকে লিগে ইতি টেনেছে মোহামেডান।
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে আগে ব্যাটিং করে ২৯৮ রান করেছিল মাশরাফির লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। কঠিন সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে সৌম্যর দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর রুবেল মিয়া ও মাহমুদউল্লাহর হাফ সেঞ্চুরিতে এক বল আগেই ৬ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মোহামেডান। অগ্রণী ব্যাংকের বিপক্ষে ম্যাচে একটি মাত্র হাফ সেঞ্চুরি ছিল সৌম্যর (৫৬)। বাকি ম্যাচগুলোতে তার ইনিংস যেন মোবাইল ডিজিট! তবে শনিবার লিগের শেষ ম্যাচে এসে জ্বলে উঠেছেন তিনি। রুবেল ও সৌম্যর ১৮১ রানের ওপেনিং জুটির ওপর দাঁড়িয়ে জয়ের ভিত পেয়ে যায় মোহামেডান।
রুবেল ৯০ বলে ৮৭ রান করে আউট হলে জুটি ভাঙে তাদের। সঙ্গীকে হারিয়ে সেঞ্চুরিতে পৌঁছানোর পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সৌম্য। ১১২ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় সাজান ১০২ রানের ইনিংসটি। ৪৮ মাস পর সেঞ্চুরি পেলেন তিনি। এরপর মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (৭) ও আরিফুল হক (২১) দ্রুত বিদায় নিলে কিছুটা চাপে পড়ে ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। সেই চাপ থেকে দলকে টেনে তোলেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ। ৪২ বলে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া এই অলরাউন্ডার।
লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বোলারদের মধ্যে মুক্তার আলী সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া অনুপ কান্তি, মাশরাফি ও চিরাগ জানি একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ পেয়ে সাব্বির রহমান রুম্মন ও ইরফান শুক্কুরের জোড়া হাফ সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে রূপগঞ্জ। সাব্বির ৯০ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৮২ রানের ইনিংস খেলেছেন। এছাড়া ইরফান ৭৩ বলে ৭৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন।
মোহামেডানের বোলারদের মধ্যে আবু জায়েদ রাহী ৬৬ রানে তিনটি উইকেট শিকার করেছেন। এছাড়া ৩৯ রানে রুয়েল মিয়া দুটি উইকেট নিয়েছেন।








