প্রথম দুটি ম্যাচ হারার পর দক্ষিণ আফ্রিকা ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-২ এ সমতা ফেরালো। শুক্রবার সেঞ্চুরিয়নের সুপার স্পোর্ট পার্কে হেনরিখ ক্লাসেন ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে চতুর্থ ওয়ানডের জয়ের নায়ক। ৪১৬ রানের পাহাড় গড়ে তারা অস্ট্রেলিয়াকে হারালো ১৬৪ রানে।
রাসি ফন ডার ডুসেন ৬২ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ভালো শুরু এনে দেন। তারপর ম্যাচের ছড়ি ঘুরান ক্লাসেন, সঙ্গ দেন ডেভিড মিলার। শেষ ২০ ওভারে তারা দুজন ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেন। হঠাৎ অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণ হয়ে পড়ে নখদন্তহীন। জশ হ্যাজেলউড, মার্কাস স্টয়নিস, নাথান এলিস ও মাইকেল নেসের ছাড় পাননি। সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতা ছিল অ্যাডাম জাম্পার। দলের এই মূল স্পিনার তার ১০ ওভারে ১১৩ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি। তাতে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বাজে বোলিং ফিগারের রেকর্ডে আরেক অস্ট্রেলিয়ান মাইক লুইসের সঙ্গে ভাগ বসান। ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেই এই লজ্জার রেকর্ড গড়েন লুইস।
৫ উইকেট হারিয়ে এদিন সেঞ্চুরিয়নের এই মাঠে সর্বোচ্চ স্কোর গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর তাতে পিষ্ট অস্ট্রেলিয়া। ব্যাটাররা ভালো শুরু করলেও তা ধরে রাখতে পারেননি। অ্যালেক্স ক্যারিকে নিয়ে আগ্রহ ছিল বেশি, সেঞ্চুরির পথে ছুটছিলেন তিনি। কিন্তু এক রানের জন্য আক্ষেপে পোড়েন। ৭৭ বলে ৯ চার ও ৪ ছয়ে ৯৯ রান করেন ক্যারি। এছাড়া টিম ডেভিড কেবল ত্রিশের ঘরে রান করেন। ট্র্যাভিস হেড ইনজুরিতে পড়ায় ব্যাটিংয়ে নামেননি। তাই ব্যাটিংয়ে ১০ জন নিয়েই শেষ করতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। ৩৪.৫ ওভারে ২৫২ রানে থামে তারা।
লুঙ্গি এনগিডি চার উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা বোলার। তিনটি উইকেট পান কাগিসো রাবাদা।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ক্লাসেন ৮৩ বলে ১৭৪ রানের ইনিংস খেলেন। ১৩টি করে চার ও ছয় হাঁকান তিনি। ডেভিড মিলার তার সঙ্গে ২২২ রানের জুটি গড়ার পথে ৮২ রান করেন মিলার, খেলেন ৪২ বল। ইনিংসে ছিল ৬ চার ও ৫ ছয়।
জোহানেসবার্গে রবিবার হবে পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডে। সেখানেই মীমাংসা হবে সিরিজ কার?








