মঞ্চটা প্রস্তুত হয়েই ছিল শ্রীলঙ্কার। দেখার ছিল অপেক্ষাটা কতক্ষণ স্থায়ী হয়। নিউজিল্যান্ডকে শেষ পর্যন্ত এক ইনিংস ও ১৫৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ তে জিতেছে লঙ্কান দল।
এই সিরিজ জেতায় টেস্টে বছরটা স্বপ্নের মতো কাটছে শ্রীলঙ্কার। জিতেছে ৬টি টেস্ট। ক্যালেন্ডার ইয়ারে যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ। সর্বশেষ ৬টি টেস্ট জিতেছিল সেই ২০০৬ সালে। ২০০১ সালে জিতেছিল ৮টি।
প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার ৫ উইকেটে করা ৬০৫ রানের জবাবে ৮৮ রানে গুটিয়ে গিয়েই নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণ করে ফেলেছিল কিউই দল। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে থেমেছে ৩৬০ রানে। ৫ উইকেটে ১৯৯ রানে শেষ করেছিল চতুর্থ দিন। আগের দিনের ৪৭* রান নিয়ে টম ব্লান্ডেল ও গ্লেন ফিলিপস ৩২ রান নিয়ে মাঠে নামেন। ব্লান্ডেল অবশ্য লড়াকু ফিফটির পরই ৬০ রানে আউট হয়ে যান চতুর্থ দিন সকালে। ৯৫ রানের সেই জুটি ভেঙে প্রতিরোধ দুর্বল করে দেন পেইরিস।
এদিন ব্যাটারদের তুলনামূলক প্রতিরোধ দেখা গেছে। ফিফটির দেখা পান গ্লেন ফিলিপস ও মিচেল স্যান্টনারও। কিন্তু ফিফটির পর খুব বেশি বড় হয়নি তাদের ইনিংস। ফিলিপস ৭৮ রান করে ব্লান্ডেলের পর ফিরেছেন। স্যান্টনার ৬৭ রানে ফিরতেই ৩৬০ রানে শেষ হয় কিউইদের ইনিংস।
এটি ছিল শ্রীলঙ্কার টানা তৃতীয় টেস্ট জয়। চার ম্যাচ এখনও হাতে আছে। এই অবস্থায় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ আছে তাদের। সেক্ষেত্রে বাকিদের ফলগুলোও তাদের পক্ষে আসা লাগবে। পয়েন্ট টেবিলে তিনে উঠে এসেছে তারা।
দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কার হয়ে আলো ছড়িয়েছেন অভিষিক্ত নিশান পেইরিস। ১৭০ রানে নিয়েছেন ৬ উইকেট। প্রথম ইনিংসে নিয়েছেন ৩টি। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া প্রবাথ দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ৩টি।








