নিউজিল্যান্ড নিশ্চয় কপাল চাপড়াচ্ছে! একটি ক্যাচ মিস যেখানে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে, সেখানে তারা ছয়বার ক্যাচ ফেলেছে। চারবার জীবন পাওয়া হ্যারি ব্রুক সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারানো ইংল্যান্ডকে নিলেন ভালো অবস্থানে।
পঞ্চাশের আগেই তিন উইকেট হারিয়ে লাঞ্চে যায় ইংল্যান্ড। বিরতির পর ক্রিজে নামেন ব্রুক। দিন শেষে হ্যাগলি ওভালের গ্যালারি থেকে মিললো অভিবাদন। ১৩২ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন তিনি। অলি পোপের সঙ্গে ১৫১ রানের জুটি গড়েছেন ব্রুক। বেন স্টোকসের সঙ্গে তার অপরাজিত ৯৭ রানের। দিন শেষ হওয়ার আগে স্টোকসেরও ক্যাচ ফেলেছে কিউইরা। তাতে প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকরা বড় ব্যবধান ঘুচিয়েছে।
দিন শেষে ইংল্যান্ড করেছে ৫ উইকেটে ৩১৯ রান। নিউজিল্যান্ডের ৩৪৮ রানের জবাবে তারা পিছিয়ে মাত্র ২৯ রানে। স্টোকস ৩৭ রানে অপরাজিত আছেন।
৮ উইকেটে ৩১৯ রানে শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল নিউজিল্যান্ড। ৪১ রানে অপরাজিত নামা গ্লেন ফিলিপস হাফ সেঞ্চুরি করেন। আরও ২৯ রান যোগ করে বাকি দুই উইকেট হারায় কিউইরা, ৫৮ রানে অপরাজিত ছিলেন ফিলিপস।
ইংল্যান্ডের পক্ষে ব্রাইডন কার্স ও শোয়েব বশির চারটি করে উইকেট নেন।
জবাব দিতে নেমে ১৫তম ওভারে নাথান স্মিথের জোড়া আঘাতে জ্যাকব বেথেল ও জো রুট প্যাভিলিয়নে ফেরেন। তারও আগে ওপেনার জ্যাক ক্রলিকে থামান ম্যাট হেনরি। ৪৬ রান করা বেন ডাকেট ব্রুকের সঙ্গে জুটিটা ২৬ রানের বেশি নিতে পারেননি।
৭১ রানে চার উইকেট হারানো ইংল্যান্ডকে স্বস্তিতে ফেরান পোপ ও ব্রুক। অনফিল্ডে নিউজিল্যান্ডের দুঃসহ সময়ের সুযোগ নিয়ে তারা দেড়শ রান যোগ করেন। তবে টিম সাউদির বলে ফিলিপসে এক হাতে নেওয়া অবিশ্বাস্য ক্যাচে থামতে হয় পোপকে। ৯৮ বলে ৮ চারে ৭৭ রান করেন তিনি।
বারবার জীবন পাওয়া ব্রুক ১২৩ বলে ৯ চার ও ২ ছয়ে সেঞ্চুরি করে ফেলেন। কাভারে টম ল্যাথাম স্টোকসের ক্যাচ ফসকালে অবিচ্ছিন্ন থেকে এই জুটি দ্বিতীয় দিন শেষ করেন।









