খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল চট্টগ্রাম কিংস। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই জয়ের দেখা পেলো দলটি। শুক্রবার দুর্বার রাজশাহীকে ১০৫ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। আগে ব্যাটিং করতে নেমে চট্টগ্রাম চলতি আসরের সর্বোচ্চ দলীয় রান ২১৯ করে। জবাবে খেলতে নেমে চট্টগ্রামের স্পিনারের ঘূর্ণিজাদুতে ১১৪ রানে অলআউট হয় তারা। তাতেই বড় জয় পেয়ে যায় দীর্ঘদিন পর বিপিএল খেলতে আসা চট্টগ্রাম কিংস।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পায় চট্টগ্রাম। গ্রাহাম ক্লার্ক ও উসমানের ১২০ রানের জুটির ওপর দাঁড়িয়ে চট্টগ্রাম ২১৯ রান সংগ্রহ করে। জবাবে খেলতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে রাজশাহী। আগের ম্যাচ জেতা রাজশাহী আজকে কোনও ছাপ রাখতে পারেনি। চট্টগ্রামের স্পিনারদের তোপের মুখে ১৭.১ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয় তারা। সর্বোচ্চ ৩২ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার মোহাম্মদ হারিস। এছাড়া আকবর আলী (১৮), ইয়াসির আলী (১৬), রায়ান বার্ল (১০) ও সোহাগ গাজী (১১) কেবল দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পেরেছেন।
চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে আলিস আল ইসলাম ১৭ রানে নেন তিনটি উইকেট। ২৩ রান খরচ করে আরাফাত সানি শিকার করেন তিনটি উইকেট। এছাড়া শরিফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ওয়াসিম নেন দুটি করে উইকেট।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারে পারভেজ হোসেন ইমনকে (০) রানে হারিয়ে বিপদে পড়ে চট্টগ্রাম। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে উসমান ও গ্রায়াম ক্লার্ক প্রতিরোধ গড়েন। তাদের শতাধিক রানের জুটিই মূলত চট্টগ্রামের স্কোরকে দুইশ পেরিয়ে যেতে ভূমিকা রাখে। ক্লার্ক ২৫ বলে ৪০ রান করে আউট হলে জুটি ভাঙে তাদের। এরপর মিঠুনকে সঙ্গে নিয়ে মিরপুরে ঝড় তোলেন উসমান। মিঠুন ১৫ বলে ২৮ রান করে সাজঘরে ফিরলেও উসমান পেয়ে যান টুর্নামেন্টের প্রথম সেঞ্চুরি। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে তাসকিনের শিকার হন এই ব্যাটার। ৬২ বলে ১৩ চার ও ৬ ছক্কায় উসমান খেলেন ১২৩ রানের ইনিংস।
তাসকিন চট্টগ্রামের বিপক্ষে আজকেও দারুণ বোলিং করে ২২ রান খরচায় নিয়েছেন দুটি উইকেট। একটি করে উইকেট নেন সোহাগ গাজী, শরিফুল ইসলাম ও রায়ান বার্ল।









