স্যাবাইনা পার্কে নাটকীয় এক দিন দেখলো টেস্ট ক্রিকেট। অস্ট্রেলিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজের তৃতীয় টেস্টের তৃতীয় দিন কী ছিল না? ৭০ বছরের ববধানে টেস্টের সর্বনিম্ন ২৭ রানে অলআউট হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সার্বিক বিচারে যা দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। যে ধসের পেছনে মূল কারিগর ছিলেন অজি পেসার মিচেল স্টার্ক। বিধ্বংসী এক স্পেলেই গুড়িয়ে দিয়েছেন ক্যারিবিয়ানদের টপ অর্ডার। তাতে টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম মাত্র ১৫ বলে ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন তিনি।
স্টার্কের জন্য টেস্টটা ছিল মাইলফলকের। শততম টেস্ট খেলতে নেমে প্রথম ইনিংসে বেশি কিছু করতে পারেননি। কে জানতো দ্বিতীয় ইনিংসেই নাটকীয় কিছু জমিয়ে রেখেছিলেন? উদ্বোধনী ওভারেই ৩ উইকেট তুলে ওয়েস্ট ইন্ডিকে কাঁপিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রথম বলে নিয়েছেন জন ক্যাম্পবেলের উইকেট। যা ছিল থার ক্যারিয়ারে চতুর্থবার ইনিংসের প্রথম ডেলিভারিতে উইকেট শিকারের নজির। চার বল এলবিডাব্লিউর শিকার হন অভিষিক্ত কেভলন অ্যান্ডারসন। পরের বলে বোল্ড হন ব্র্যান্ডন কিং। তাতে শূন্যতেই ৩ উইকেট নেই হয়ে যায় স্বাগতিকদের। টেস্ট ইতিহাসে মাত্র ষষ্ঠবার এমনটা ঘটেছে!
স্টার্ক যখন দ্বিতীয় ওভার করতে আসেন। শুরুর ডেলিভারিতে আউট হলে হ্যাটট্রিক শিকার হতেন মিকাইল লুইস। কিন্তু সেটা মোকাবিলা করে বেঁচে যান তিনি। তবে ৪.১ ওভারে ঠিকই স্টার্কের ৪০০তম উইকেটে পরিণত হন তিনি। লুইসকে এলবিডাব্লিউ করে শেন ওয়ার্ন, গ্লেন ম্যাকগ্রা ও নাথান লায়নের পর চতুর্থ অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে ৪০০ উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছান তিনি।
স্টার্কের তোপে বিস্ময়কর দৃশ্য চলতেই থাকে। দুই বল পরই তিনি শাই হোপকেও এলবিডাব্লিউ করে মাত্র ১৫ বলে পূরণ করেন ইতিহাসের দ্রুততম পাঁচ উইকেট। যা আগের যৌথ রেকর্ডধারী আর্নি টশ্যাক, স্টুয়ার্ট ব্রড ও স্কট বোল্যান্ডের তুলনায় চার বল কম।








