অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি খেলেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলেন আন্দ্রে রাসেল। প্রথম ম্যাচে পরাজয়ের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো এই ম্যাচে স্মরণীয় কিছু করে দেখাতে পারবে স্বাগতিক দল। কিন্তু দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও আধিপত্য দেখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ২৮ বল হাতে রেখে ক্যারিবিয়ানদের ৮ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা। তাতে ৫ ম্যাচের সিরিজে তারা এগিয়ে গেছে ২-০ ব্যবধানে।
রাসেলের জন্মশহর কিংস্টনের স্যাবাইনা পার্কে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭২ রান সংগ্রহ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং প্রান্ত আগলে দারুণ সূচনা এনে দেন। ৩৬ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় করেন ৫১ রান। বিদায়ী ম্যাচে রাসেলও ব্যাট হাতে উপহার দেন ক্যামিও একটি ইনিংস। বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ১৫ বলে ৪ ছক্কা ও ২ চারে করেছেন ৩৬ রান। গুডাকেশ মোটিও শেষটায় জ্বলে উঠেন। ৯ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় করেন অপরাজিত ১৮ রান।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৯ রানে ৩টি উইকেট নেন অ্যাডাম জাম্পা। দুটি করে নেন নাথান এলিস ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
জবাবে শুরুতেই চমক সৃষ্টি করে অস্ট্রেলিয়া। ওপেনিংয়ে নামায় গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে। সঙ্গে ছিলেন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। কিন্তু এই পরিকল্পনা মোটেও কাজে দেয়নি। পাওয়ার প্লের মধ্যে ফিরে যান দুজন। ম্যাক্সওয়েল করেন ১০ রান, মার্শ ২১। তার পর তৃতীয় উইকেটে জশ ইংলিস ও ক্যামেরন গ্রিনের বিস্ফোরক জুটি জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। ১৩১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন তারা। তাতে অস্ট্রেলিয়া ১৫.২ ওভারে ২ উইকেট হারিয়েই জয় নিশ্চিত করে। ইংলিস ছিলেন সবচেয়ে বিধ্বংসী। ৩৩ বলে ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৭৮ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরাও তিনি। গ্রিন ৩২ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৫৬ রানে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ অবশ্য ৬টি ক্যাচও ছেড়েছে এদিন। বিদায়ী ম্যাচ খেলে পরে রাসেল বলেছেন, ‘আমি খুব কৃতজ্ঞ যে নিজের দর্শক, পরিবার ও বন্ধুদের সামনে খেলে এখানেই ক্যারিয়ার শেষ করতে পারছি। হয়তো ফল আমাদের পক্ষে আসেনি, কিন্তু দিন শেষে আমি খুশি, কৃতজ্ঞ।’
দু’বারের বিশ্বকাপজয়ী ৩৭ বছর বয়সী সতীর্থদের শুভকামনা জানিয়ে বলেছেন, ‘আমি ছেলেদের শুভকামনা জানাই এবং তাদের ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা রইল।’








