প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচে ঢাকা আবাহনীর বিপক্ষে হেরে দ্বিতীয় পর্বের প্রথম ম্যাচেও হারের স্বাদ নিলো রহমতগঞ্জ। জেবি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে চমক সৃষ্টি করা দলটি আজ বুধবার মোহামেডানের কাছে ২-১ গোলে হারের স্বাদ নিয়েছে।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত খেলায় আগে গোল করেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ বাঁচাতে পারেনি তারা। এ ম্যাচ জিতে অবনমনের বিপদজনক অঞ্চল থেকে দূরে যাওয়া শুরু করলো মোহামেডান আর শিরোপা লড়াই থেকে ছিটকে পড়া শুরু হলো রহমতগঞ্জের।
খেলার ২৭ মিনিটে দ্রুতগতির একটি পাল্টা আক্রমণে এগিয়ে যায় রহমতগঞ্জ। মিডফিল্ডার আলি হোসেন মাঝমাঠ থেকে আলতো চিপ করেন গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড দাওদা সিসের উদ্দেশ্যে। সুঠামদেহী দাওদা সিসে দুইজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল ঠেলে দেন দূরের পোস্টের জালে।
তবে পরের মিনিটেই সমতা আনার সহজ সুযোগ হারায় মোহামেডান। ফরোয়ার্ড তৌহিদুল আলম সবুজ ছিলেন আক্রমণের উৎস। তার নিচু ক্রস বক্সের মাঝামাঝি নিয়ন্ত্রণে নেন মোহামেডানের গিনিয়ান ফরোয়ার্ড ইসমাইল বাঙ্গুরা কিন্তু ছোট বক্সের ওপর থেকে তিনি বল জালে ঠেলতে ব্যর্থ হন। তার পুশটি ডিফেন্ডার মামুন কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন।
৩২ মিনিটে বাঙ্গুরা আবারও মাসুমকে একা পেয়েও বল তার হাতে তুলে দেন। অবশ্য ৪০ মিনিটে সমতা আনে মোহামেডান। বক্সের ডানপ্রান্ত থেকে বাঁকানো ফ্রি-কিক নিয়েছিলেন ফরোয়ার্ড আমিনুর রহমান সজিব। ক্রসপিসে আঘাত করে বল এসে পড়ে ক্যামেরুনের মিডফিল্ডার এনজেকু প্যাট্রিসের পায়ে। হেড করে তিনি পরাস্ত করেন ফরাশগঞ্জ গোলরক্ষক সামিউল ইসলাম মাসুমকে।
বিরতির পর মাঠে মোহামেডানেরই আধিপত্য ছিল আর রহমতগঞ্জ তাদের আক্রমণের ধারা অব্যাহত রাখতে পারেনি। যার ধারাবহিকতায় ৮৪ মিনিটে ম্যাচ জয়ের পথে এগিয়ে যায় মোহামেডান। আবারও ডানপ্রান্ত থেকে বল ভাসিয়ে দিয়েছিলেন ফরোয়ার্ড তৌহিদুল আলম সবুজ। মাসুম বলের ফ্লাইট মিস করলে তাতে দীর্ঘদেহী বাঙ্গুরা হেড করেন, আর বল ঠাঁই নেয় কাছের পোস্টের জালে।
বাকি ছয় মিনিট ও সংযুক্ত দুই মিনিটে ডিফেন্স ভারি করে খেলে মোহামেডান। তবে এসময় শেষ দিকে মরণ কামড় দিতে অভ্যস্ত রহমতগঞ্জের পক্ষে আর ম্যাচে ফেরা সম্ভব হয়নি।
১২ ম্যাচে রহমতগঞ্জের পয়েন্ট ২২, মোহমেডানের পয়েন্ট ১২। দশম স্থান থেকে তারা এখন পৌঁছালো সপ্তম স্থানে।
/আরএম/এফআইআর/








