মূলত তিনি লেফট উইংয়ে খেলেন। কিন্তু দলের প্রয়োজনে কোচ অস্কার ব্রুজন তাকে মাঝে মধ্যেই নাম্বার নাইন পজিশনে রাখেন। এবার টিভিএস ফেডারেশন কাপ ফুটবলের নকআউট পর্বের (সেমিফাইনাল ও ফাইনাল) শেষ দুটি ম্যাচে লেবানিজ স্ট্রাইকার জালাল কদুহ ছিলেন বেঞ্চে। ‘নাম্বার নাইন’ হিসেবেই খেলেছেন কলিনদ্রেস। স্ট্রাইকার হিসেবেও কলিনদ্রেস যে কম যান না, শেষ দুটি ম্যাচই বড় প্রমাণ। ফেডারেশন কাপ ফুটবলের প্রথম ট্রফি জিতেছে বসুন্ধরা কিংস কলিনদ্রেসেরই নৈপুণ্যে। রহমতগঞ্জকে ২-১ গোলে হারানো ম্যাচে জয়ের নায়ক এই কোস্টারিকান। দুটি গোলই করেছেন তিনি।
২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে কোস্টারিকার হয়ে খেলেছেন ৩৪ বছর বয়সী এ ফুটবলার। সেখানে খেলেই বসুন্ধরায় যোগ দেন গত মৌসুমে। অভিষেক মৌসুমেই স্বাধীনতা কাপ ট্রফি ও প্রিমিয়ার লিগ জিতেছে ক্লাব, রানার্সআপ হয়েছে ফেডারেশন কাপে। তিনটি প্রতিযোগিতাতেই কলিনদ্রেসের পারফরম্যান্স ছিল দেখার মতো।
৩৪ বছর বয়সেও প্রতিপক্ষের রক্ষণ তছনছ করে ফেলার মতো আগুন ভেতরে আছে, সেটি কোলিনদ্রেস আবারও প্রমাণ করলেন। রবিবার ফাইনাল শেষে রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই মাঠেই উৎসব সেরে নিলো সবাই। এরই মধ্যে কলিনদ্রেসকে শূন্যে তুলে নিয়ে তার পারফরম্যান্সেরই স্বীকৃতি বুঝি দিলো সতীর্থরা।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যেই কলিনদ্রেস এক ফাঁকে নিজের অনুভূতি জানালেন, ‘আমি অনেক খুশি। দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। দুই গোল করতে পেরেছি। আমরা যে ভালো দল, সেটা আবারও প্রমাণিত হলো এবং সামনে এএফসি কাপ আছে, প্রিমিয়ার লিগ আছে। আমরা ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে চাই। আরও উজ্জীবনী শক্তি পাওয়া গেলো।’
বসুন্ধরাকে ফেডারেশন কাপ জেতানোর একটা আকুতি ছিল কলিনদ্রেসের, ‘আমি খুশি দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়। গতবার ফেডারেশন কাপ জিততে পারিনি, এবার জিতেছি। সামনের দিকে আরও ভালো খেলতে চাই। সুযোগ পেলে গোলও করবো।’
ফাইনালে দুই অর্ধে দুই গোল করেছেন কলিনদ্রেস। প্রথম গোলটি দুর্দান্ত হেডে, আর পরেরটি গোলকিপার রাসেল মাহমুদ লিটনের ভুলের সুযোগ নিয়ে করেছেন। তবে পরের গোলটিকে ‘লাকি’ গোল বলতে চান না এই ফরোয়ার্ড, ‘দ্বিতীয় গোলটা লাকি গোল নয়। প্রতিপক্ষ ভুল করবে, সে সুযোগ আপনাকে নিতে হবে। এখানে লাকি গোলের কিছু নেই। আমি সুযোগ পেয়েছি, গোলও করেছি।’








