মালদ্বীপের আতিথেয়তায় ভয়!

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২২ জুলাই ২০২০, ২০:২০আপডেট : ২২ জুলাই ২০২০, ২০:৩২

এএফসি কাপে মালদ্বীপে পাঁচ ম্যাচ খেলবে বসুন্ধরা কিংস এএফসি কাপে বসুন্ধরা কিংসকে বড় পরীক্ষাই দিতে হবে। বিশেষ করে, ১৩ দিনে যখন তাদের খেলতে হবে পাঁচ ম্যাচ! তাছাড়া মালদ্বীপের আতিথেয়তার অভিজ্ঞতাও সুখকর নয় ক্লাব কিংবা জাতীয় দলের হয়ে আগে সেখানে খেলে আসা তপু-ইমনদের। তাই এএফসি কাপ নিয়ে বেশ সতর্ক তারা।

‘ই’ গ্রুপে বসুন্ধরা কিংসের পাঁচ ম্যাচ ২৩ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর। ২৩ অক্টোবর স্বাগতিক মাঝিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচ। ৪ নভেম্বর একই দলের বিপক্ষে হবে শেষ ম্যাচ। এছাড়া ২৬ ও ২৯ অক্টোবর ভারতের চেন্নাই সিটি এবং ১ নভেম্বর টিসি স্পোর্টসের মুখোমুখি হবে বসুন্ধরা।

দলটির মিডফিল্ডার ইমন মাহমুদ এর আগেও আবাহনী ও জাতীয় দলের হয়ে মালদ্বীপে খেলেছেন। তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাই শোনালেন তিনি, ‘সেখানে (মালদ্বীপ) খেলতে গিয়ে আমাদের নানান রকম নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়েছে। দেখা গেছে, এএফসি কাপে আমাদের ওরা মালে থেকে বেশ দূরে আতিথেয়তা দিয়েছে। বোট দিয়ে মালে শহরে আসতেই আধঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায়। ম্যাচের দিন তো ভ্রমণ ক্লান্তির কারণে আমরা ঠিকমতো খেলতেই পারিনি।’

অনুশীলনের মাঠ নিয়েও সেই সময় সন্তুষ্ট ছিলেন না ইমন, ‘এছাড়া অনুশীলনের মাঠ তেমন সুবিধার ছিল না। এএফসি কাপে তাদের মাঠে দর্শক থাকবে। সুতরাং আমাদের খেলাটা সহজ হবে না। তবে বসুন্ধরা কিংস ভালো দল। আমরা সফল হওয়ার জন্য সেখানে যাব। আমাদের সেখানে সতর্ক হয়ে খেলতে হবে।’

ডিফেন্ডার তপু বর্মণের অভিজ্ঞতা তো আরও ভয়ঙ্কর, ‘সেখানে স্পিডবোটে চড়িয়ে খেলতে নিয়ে এসেই প্রতিপক্ষকে একদফা শেষ করে দেয়। স্পিডবোটে ফুটবলাররা বমি করেই অর্ধেক শেষ হয়ে গিয়েছিল। এর থেকে বাঁচার উপায় হলো আমাদের ম্যানেজমেন্টকেই হোটেল ঠিক করতে হবে মালে শহরে।’

নিকট-অতীতে মালদ্বীপ জাতীয় দল কিংবা দেশটির কোনও ক্লাবকে তাদের মাঠে হারানো যায়নি। তাই তপু ভালো খেলেই সেখানে ইতিবাচক ফল আনতে চান, ‘ওদের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে সবসময় ওরা ভালো খেলে। ক্যারিয়ারে ওখানে তাদের খারাপ খেলতে দেখিনি। এ পর্যন্ত ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে খেললেও সেখানে সাফল্য পাইনি। এবার সাফল্য পেতে চাই।’

/টিএ/কেআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি