একমাসের ব্যবধানে কতটা পার্থক্য! নভেম্বরের বাজে পারফরম্যান্সে যেখানে জিনেদিন জিদানের চাকরি নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছিল, সেই তার অধীনেই আনন্দের বৃষ্টিতে ভিজছে এখন রিয়াল মাদ্রিদ। হতাশা কাটিয়ে ঠিকই ‘মেরি ক্রিসমাস’ জানাতে পেরেছে ভক্তদের। বুধবার রাতে বড়দিনের আগে শেষ ম্যাচে নেমেছিল লস ব্লাঙ্কোস। ঘরের মাঠে শুরুতে ভুগতে হলেও গ্রানাদার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা।
নগরপ্রতিপক্ষ আতলেতিকো মাদ্রিদকে স্বস্তিতে থাকতে দিচ্ছে না রিয়াল। চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ডিয়েগো সিমিওনির দলের পিছু ছাড়ছে না জিদানের দল। আগের ম্যাচ জিতে আতলেতিকো ৩২ পয়েন্টে শীর্ষে বসলেও গ্রানাদাকে হারিয়ে আবার তাদের ধরে ফেলেছে রিয়াল। অবশ্য ১৫ ম্যাচ খেলা লস ব্লাঙ্কোদের চেয়ে ২ ম্যাচ কম খেলেছে আতলেতিকো।
চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ার শঙ্কা জন্মেছিল রিয়ালের। লা লিগাতেও ভালো অবস্থানে ছিল না তারা। সেই তারাই ঘুরে দাঁড়িয়ে এখন রীতিমতো উড়ছে। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলে টানা ছয় ম্যাচ জিতেছে। যার সবশেষটি গ্রানাদার বিপক্ষে।
স্তাদিও আলফ্রেদো ডি স্তেফানোয় শুরুতে অবশ্য বেশ ভুগতে হয়েছে। দারুণ সব আক্রমণে ভয়ই ধরিয়ে দিয়েছিল গ্রানাদা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ছন্দে ফিরে জয় তুলে নেয় মাদ্রিদের অভিজাতরা। ৫৭ মিনিটে এসে গ্রানাদার বাধার দেয়াল ভাঙতে পারে তারা কাসেমিরোর সৌজন্যে। ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডারের হেড জালে জড়ালে এগিয়ে যায় রিয়াল। স্পেনের শীর্ষ প্রতিযোগিতায় এই প্রথম টানা তিন হোম ম্যাচে গোল করলেন তিনি।
১-০ গোলে এগিয়ে থাকলেও পয়েন্ট হারানোর ভয় থেকেই গিয়েছিল রিয়ালের। শেষমেষ জয় নিশ্চিত হয় দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমের তৃতীয় মিনিটে করিম বেনজেমার গোলে। ফরাসি স্ট্রাইকার এ নিয়ে গ্রানাদার বিপক্ষে ১৫ ম্যাচে পেলেন ১৩তম গোল।








