আগামী ২৩ মার্চ থেকে নেপালে শুরু হতে যাচ্ছে ত্রিদেশীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা। সেখানে স্বাগতিক দল ছাড়াও বাংলাদেশ ও কিরগিজস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দল অংশ নিচ্ছে। তবে নেপাল ও বাংলাদেশ মূল দল নিয়ে তাতে অংশ নিলেও স্বাগতিক কোচ বালগোপাল মহারজন এগিয়ে রাখছেন অলিম্পিক দল নিয়ে খেলতে আসা কিরগিজস্তানকে!
এর পেছনের কারণ অবশ্য র্যাঙ্কিং! ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ ও নেপালের চেয়ে অনেক এগিয়ে কিরগিজস্তান জাতীয় দল। বাংলাদেশ ১৮৬, নেপালের অবস্থান ১৭১ হলেও কিরগিজস্তান আছে ৯৬তম স্থানে। তাই কিরগিজদের অলিম্পিক দলটিকেও পিছিয়ে রাখার উপায় নেই।
কাঠমান্ডু থেকে নেপালের হেড কোচ বালগোপাল মহারজন বাংলা ট্রিবিউনকে তিন দেশের শক্তির পার্থক্য বিশ্লেষণ করতে গিয়ে সাবধানী মন্তব্যই করলেন, ‘বাংলাদেশ ও নেপাল দলের শক্তি কাছাকাছি। দুই দলের খেলোয়াড়দের মানও প্রায় সমান। তার ওপর র্যাঙ্কিংয়েও বেশি পার্থক্য নেই। কিন্ত কিরগিজস্তান তো অনেক এগিয়ে। যদিও ওদের অলিম্পিক দল খেলবে। কিন্তু মূল দলের চেয়ে কাঠমান্ডু আসা দলটির মধ্যে তেমন কোনও পার্থক্য নেই। তাই কিরগিজদের বিপক্ষে আমরা কেমন খেলি তা দেখতে হবে।’
বাংলাদেশ দলের কোচ জেমি ডে যেমন বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের আগে নিজ দলকে পরখ করতে চাইছেন। বালগোপালও তাই। তবে নেপালের চেয়ে বাংলাদেশ আবার এগিয়ে আছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে। খেলোয়াড়রা খেলার মধ্যেই ছিল। কিন্তু নেপালে লিগ হয়নি, দুই মাস ধরে তাদের জাতীয় দল প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে শেষমুহূর্তে তাদের খেলা পিছিয়ে গেলে নিজেদের মাঠে ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেয় তারা।
বালগোপাল তাই নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে বললেন, ‘আমরা ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতায় খেলোয়াড়দের পরখ করে দেখতে চাই। এখানে আমাদের লক্ষ্য তাই। শিরোপা জিততে পারবো কিনা, তা বলা কঠিন। আসলে বাংলাদেশ ও কিরগিজস্তানের মধ্যে প্রথম ম্যাচের পর বলতে পারবো কে ফেবারিট।’
গত অক্টোবরে ঢাকায় নেপালের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই ম্যাচে নেপালের কয়েকজন খেলোয়াড় করোনার কারণে আসতে পারেনি। এবার অবশ্য নিজেদের মাঠে পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে যাচ্ছে হিমালয়ের দেশটি। তাই তো বাংলাদেশের জন্য ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতা সহজ হবে না!








