২৫ বছর পর ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। ইংলিশদের তাই উচ্ছ্বাসটা বাধভাঙা। যারা বিশ্বকাপ-ই জিতেছিল ১৯৬৬ সালে, সেই একবারই। এর পর আর কোনও প্রতিযোগিতায় ট্রফি ছোঁয়া হয়নি। এমনকি ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টেও ওঠা হয়নি ফাইনালে। হ্যারি কেইন-স্টার্লিংয়ে ভর করে এবার স্বপ্নের পরিধি বেড়েছে ইংলিশদের। এমন পারফরম্যান্স দেখে বাংলাদেশ ফুটবল দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডেও আশায় বুক বেঁধেছেন।
স্বাভাবিকভাবে ইংল্যান্ডকে ঘিরে প্রত্যাশা বেশি। যার প্রমাণটা তারা দিয়েছেন কোয়ার্টার ফাইনালে ইউক্রেনকে নাস্তানাবুদ করে। একপেশে ম্যাচে চার গোলে প্রতিপক্ষকে ছিটকে দিয়ে। বড় এই ব্যবধানে ম্যাচ জেতাতে মোটেও অবাক হননি জেমি ডে। বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘ইংল্যান্ডের এমন জয়ে আমি মোটেও অবাক হইনি।। যেভাবে দল খেলেছে, তাতে করে এমন ব্যবধানে জেতাটা কাম্য ছিল। আর সেটাই খেলোয়াড়রা করে দেখিয়েছে।’
দলের চার গোলে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের ছিল জোড়া অবদান। তাই কেইনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাংলাদেশ দলের কোচ, ‘ভালো খেলোয়াড়রা সবসময় ভালো খেলার চেষ্টা করে থাকে। এই ম্যাচে সে তাই করেছে। দুটি সুন্দর ফিনিশিং করেছে।’
সেমিফাইনালে এখন ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ডেনমার্ক। ডে মনে করেন, ধারাবাহিকতা ধরে রাখলে এই ম্যাচও উতড়ে যেতে পারবে ইংলিশরা, ‘যেভাবে দল খেলছে। তাতে করে সেমিফাইনালে এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে পারলে জয় সম্ভব। আমরা তো চাইবো দল ফাইনালে উঠুক, ট্রফি জিতুক। এই স্বপ্ন সবসময় দেখে থাকি।’
সাউথগেটের দলও খুব করে চাইছে ফাইনাল খেলতে। যেন ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরে বুনো উল্লাসে মেতে উঠতে পারে সবাই।









