পাতানো ম্যাচ, বেটিং ও স্পট ফিক্সিংয়ের কারণে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের ওপর বড়রকমের শাস্তি নেমে এসেছে। এছাড়া দলের দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তারাও শাস্তি পেয়েছেন বিভিন্ন মেয়াদে। আরামবাগ ক্লাব কর্তৃপক্ষ আগের দিন শাস্তি কমানোর আবেদন করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ১৪ জনের মধ্যে ৯ খেলোয়াড় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কাছে (বাফুফে) শাস্তি মওকুফ চেয়ে আবেদন করেছে।
মূলত বিভিন্ন মেয়াদে ১৪ ফুটবলারকে নিষেধাজ্ঞার শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে তিন বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে আল আমিনকে। কিন্তু ২০১৮ সালে অনূর্ধ্ব-১৫ সাফজয়ী দলের এই সদস্য দাবি করলেন, ‘আমি কোন অন্যায় করিনি। কোন প্রকার খারাপ কাজের সঙ্গে আমি জড়িত নেই। শুধু ফুটবল খেলা নিয়েই ভাবি। আমার স্বপ্নই হলো বড় ফুটবলার হওয়া।’
বাফুফে ভবনে এসে আবেদনকারীদের মধ্যে ২০১৯ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলা কাজী রাহাদও ছিলেন। এই ফুটবলার আবারও নির্দোষ দাবি করেছেন নিজেকে, ‘ফুটবলই আমার সব। ফুটবল খেলে পরিবার চালাই। আমি কোন অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত নই। এই ব্যাপারে আমার কোন ধারণাই নেই। এই অবস্থায় খুবই বিপদে আছি। কোথাও মুখ দেখাতে পারছি না।’
বাফুফে ভবনে আবেদন করার আগে খেলোয়াড়রা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন বলেছেন, ‘আমরা নিজেরাও একটা তদন্ত কমিটি গঠন করবো। যে খেলোয়াড়েরা অপরাধ করেননি, তাদের সঙ্গে আমরা থাকবো। যারা অপরাধ করেছেন, তাদের সঙ্গে থাকবো না।’
খেলোয়াড়দের আপিলের চিঠি পেয়ে বাফুফের কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান জাবের বিন তাহের আনসারি বলেছেন, ‘নিয়ম হলো ১০ হাজার টাকা জমা দিয়ে আপিল করতে হয়। তারা কেউ সেটা করেনি। এখনও হাতে সময় আছে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তারপর অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’








