দুই মৌসুম আগে এএফসি কাপের জোনাল সেমিফাইনালে খেলেছিল আবাহনী লিমিটেড। এরপর আর গ্রুপপর্বেই জায়গা করে নিতে পারেনি আকাশি-নীল জার্সিধারীরা। এবার আবারও গ্রুপপর্বে খেলার হাতছানি। তবে বড় বাধা ভারতের অন্যতম পরাশক্তি মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। আগামীকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় মুখোমুখি হবে দুই দল। এবার বড় আশা নিয়েই কলকাতায় খেলার অপেক্ষায় মারিও লেমসের দল।
প্রিলিমিনারি রাউন্ডে মালদ্বীপের ক্লাব ঈগলসকে ২-১ গোলে হারায় আবাহনী। প্লে অফ যে আরও কঠিন হবে তা বুঝতে পারছেন দলের পর্তুগিজ কোচ। তবে একাদশে ৬ বিদেশি থাকায় কিছুটা স্বস্তি কাজ করছে।
আজ সোমবার দুপুরে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে কলকাতায় গেছে আবাহনী। রাতের কৃত্রিম আলোতে অনুশীলনও করেছে সবাই। অনুশীলনের আগে লেমস আত্মবিশ্বাসী সুরে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমরা জয়ের জন্যই কলকাতায় এসেছি। জানি ম্যাচটা বেশ কঠিন হবে। তবে আমরা পুরো প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামবো। জয়ের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।’
আবাহনীতে ব্রাজিলিয়ান, গ্রানাডিয়ান, নাইজেরিয়ান ও মিশরীয় খেলোয়াড় রয়েছে। তবে তাদের কেউই বিশ্বকাপে খেলেননি। সেই জায়গায় মোহনবাগানে জেসন কামিংসের মতো স্ট্রাইকার আছে, অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে যার ২০২২ বিশ্বকাপে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। এছাড়া দেশের হয়ে তিন ম্যাচে এক গোল জন্মসূত্রে এই স্কটিশ ফুটবলারের। গত বছর কাতারে ফ্রান্সের বিপক্ষে সকারুদের প্রথম ম্যাচে ৫৬তম মিনিটে বদলি হয়ে মাঠে নামেন তিনি। তার আগে সেপ্টেম্বরে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন দুটি প্রীতি ম্যাচ।
লেমস তাই সতর্ক হয়ে বলেছেন, ‘প্রতিপক্ষকে সমীহ করতে হচ্ছেই। তারা ভালো দল। আগেও তাদের বিপক্ষে আমরা খেলেছি। বিদেশীদের মানও ভালো। আমরা সর্বোচ্চ লড়াই করার চেষ্টা করবো।’
প্রতিপক্ষকে থামাতে মরিয়া হয়ে খেলারও বার্তা দিলেন লেমস, ‘প্রতিপক্ষ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে থাকে। বক্সের ভেতরে ভয়ঙ্কর তারা। আমাদের তাদের এই জায়গাতে থামাতে হবে। যদি তাদের আমরা থামাতে না পারি তাহলে ব্যবধানটা বড় হয়ে যাবে। হয়তো ম্যাচের ফল আমাদের পক্ষে থামবে না।’
সবশেষ মোহনবাগানের বিপক্ষে ৩-১ গোলে হেরেছিল আবাহনী। সেটাও এএফসি কাপে। এবার সাহাল আব্দুল সামাদ-মানবির-শুভাশিসদের বিপক্ষে হৃদয়-জীবনরা কী করতে পারেন, তা দেখারই অপেক্ষায় সমর্থকরা।









