১৯৯১ সালে ভারতের ঐতিহ্যবাহী ইস্ট বেঙ্গলে খেলে সুনাম কুড়িয়েছেন মোনেম মুন্না, শেখ মোহাম্মদ আসলাম, রিজভী করিম রুমি ও গোলাম গাউস। দলকে জিতিয়েছেন লিগ শিরোপাও। এর মধ্যে প্রয়াত মুন্না তো সেখানে কিংবদন্তির আসনে রয়েছেন। দীর্ঘদিন পর এবার সেই ক্লাবের নারী দলে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড সানজিদা আক্তার। এই খবর শুনে অন্যদের মতো খুশি আসলাম-রুমিরা।
সানজিদা ভিসা পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন, পেলেই উড়াল দেবেন ভারতে। সানজিদা তাই বলেছেন, 'ভিসার জন্য অপেক্ষায় আছি। পেলেই খেলতে যাবো। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।'
ইস্ট বেঙ্গলের ছেলেদের দলে খেলা শেখ মোহাম্মদ আসলাম নারী দলে সানজিদা সুযোগ পাওয়ার খবর শুনে ফিরে গেলেন অতীতে, ‘মা-মণি গোল্ড কাপে ইস্ট বেঙ্গলের বিপক্ষে আমার গোলে দল জেতে। এরপর কলকাতার দলটির কর্মকর্তা পল্টু দাশ খেলার আমন্ত্রণ জানায়। আমি মুন্না ও রুমীর কথা বলি। পরে তিন জন একসঙ্গে খেলেছি। সাফল্য পেয়েছি। ওরা আমাদের কথা সবসময় মনে রেখেছে। এখন নারী দলে সানজিদা খেলতে যাচ্ছে। এটা অনেক খুশির খবর। আমি আশা করবো আমাদের মতো ও সেখানে সাফল্য পাবে। দলকে জেতাবে। গোল পাবে। দেশের সম্মান উজ্জ্বল করবে।'
কানাডার টরন্টো থেকে রুমিও ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে বলেছেন, 'এটা অনেক ভালো খবর। টিভিতে দেখলাম সাবিনা খেলছে বেঙ্গালুরুর ক্লাবে। এবার সানজিদা খেলবে ওখানে। আমরা কলকাতার ইস্ট বেঙ্গলে খেলতে গিয়েছিলাম সেই কবে। এবার নারী ফুটবলার যাচ্ছে সেই ক্লাবে। আশা করছি সানজিদা ভালো করবে। '
এরপরই সাবেক তারকা স্ট্রাইকার যোগ করলেন, 'ইস্ট বেঙ্গল সমর্থক পুষ্ট দল। সানজিদাকে চাপ নিতে হবে। চাপকে জয় করতে হবে। আমার সময়ে দুপুরে প্রচণ্ড গরম থাকতো। জার্সি মোটা ছিল। যে কারণে আমার সমস্যা হয়েছিল। আশা করছি এবার সানজিদার সমস্যা হবে না। খেলা তো গোয়াতে হবে মনে হচ্ছে। আসলে ওরা যত বাইরের লিগে খেলবে, দেশের ফুটবলের জন্য ভালো হবে।'
ভারতীয় নারী ফুটবল লিগের পয়েন্ট টেবিলে পঞ্চম স্থানে আছে ইস্ট বেঙ্গল। ৪ ম্যাচে একটি জয়ে ৩ পয়েন্ট তাদের। বাকি ৩টি ম্যাচই হেরে পয়েন্ট টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে ইস্ট বেঙ্গল।









