ম্যানচেস্টার ডার্বিতে টানা তিন ম্যাচ হারের পর ঘুরে দাঁড়ালো ম্যানইউ। শনিবার ওয়েম্বলিতে এফএ কাপের ফাইনালে তারা ২-১ গোলে হারালো ম্যানচেস্টার সিটিকে। ১৩তম এফএ কাপ শিরোপা জিতে নিলো এরিক টেন হ্যাগের শিষ্যরা।
গত বছরের ফাইনালে একই স্কোরে ম্যানসিটি হারায় ম্যানইউকে। এবার তার প্রতিশোধ নিয়ে সিটিজেনদের ডাবল জিততে দিলো না রেড ডেভিলরা।
শিশুসুলভ ভুলে ম্যানসিটি প্রথম গোল খেয়ে বসে। ম্যানইউ আক্রমণে গেলে বল ঠেকাতে এগিয়ে আসেন তাদের গোলকিপার স্টেফান ওর্তেগা। কিন্তু তার আগেই মাটিতে লাফিয়ে উঁচুতে ওঠা বল হেড করে বিপদমুক্ত করতে গিয়ে ভুল করেন জিভারদিওল। একেবারে গোলমুখের সামনে বল দেন। আলেহান্দ্রো গারনাচো সহজেই ফাঁকা জাল কাঁপান ৩০ মিনিটে।
সাত মিনিট পর মার্কাস র্যাশফোর্ড গোল করেছিলেন। কিন্তু গারনাচো অফসাইডে থাকায় ম্যানইউর ২-০ তে এগিয়ে যাওয়া হয়নি। অবশ্য ব্যবধান বাড়াতে বেশি সময় নেয়নি তারা। ৩৯ মিনিটে কোবি মাইনু দলের দ্বিতীয় গোল করেন। ডান দিক থেকে গারনাচোর বাড়ানো বলে বক্সের প্রান্ত থেকে ব্রুনো ফের্নান্দেস পাস দেন, সহজেই গোল করেন মাইনু।
২-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতির পর ফিরে নতুন উদ্যোমে খেলা শুরু করে ম্যানসিটি। ৫৪ মিনিটে জেরেমি ডকুর পাস থেকে ফিল ফোডেন বলে পা লাগালে গোল হলেও হতে পারতো। দুই মিনিট পর আর্লিং হাল্যান্ডের শক্তিশালী শট দূরের পোস্টে আঘাত করলে হতাশা বাড়ে তাদের। ৬০ মিনিটে কাইল ওয়াকারের দূরপাল্লার শট ঠেকিয়ে দেন ম্যানইউ গোলকিপার আন্দ্রে ওনানা।
জুলিয়ান আলভারেজ দুইবার শট নিলেও ক্রসবার ও গোলবারের পাশ দিয়ে বল পাঠান। ৬৮ মিনিটে গারনাচোর শট ঠেকিয়ে ওরতেগা ৩-০ হতে দেননি।
৮৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ডকু জাল কাঁপালে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় ম্যানসিটি। ইনজুরি টাইমের আট মিনিটে গোল শোধ দিতে পারেনি তারা। চ্যাম্পিয়নস লিগের পর এফএ কাপেও হতাশ হতে হলো পেপ গার্দিওলার দলকে।
প্রিমিয়ার লিগে অষ্টম হলেও এফএ কাপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে আগামী মৌসুমে ইউরোপা লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো ম্যানইউ।








