এএফসি নারী এশিয়ান কাপে শক্তিশালী উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে শুরু থেকে প্রতিরোধ গড়েও বিরতির ঠিক আগে দুই গোল হজম করেছে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধেই বোঝা গেছে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে কেন এগিয়ে উত্তর কোরিয়া।
সিডনির কমব্যাংক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ দলে ছিল দুটি পরিবর্তন। ডিফেন্সে অভিজ্ঞ শিউলি আজিম ও মিডফিল্ডে উমেহলা মারমা একাদশে ছিলেন না। তাদের জায়গায় সুযোগ পান তহুরা খাতুন ও আইরিন খাতুন।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে উত্তর কোরিয়া। একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত সময় কাটাতে হয় বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে। ষষ্ঠ মিনিটে বক্সে ঢুকে ফাঁকা জায়গা থেকে জিন হংয়ের শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কোনওমতে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক মিলি আক্তার।
১৪ ও ২৭ মিনিটে উত্তর কোরিয়া বল জালে জড়ালেও ভিএআর দেখে দুটি গোলই বাতিল করা হয়েছে। ৩৮ মিনিটে কিয়ং ইয়ংয়ের হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এর কিছুক্ষণ পর হাং জিন হংয়ের শট অল্পের জন্য সাইডবার ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে বাংলাদেশ দলে তিনটি পরিবর্তন আনা হয়। স্বপ্না, উমেহলা মারমা ও আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী মাঠে নামেন। তাতেও খেলার চিত্র বদলায়নি। বরং বিরতির ঠিক আগে পেনাল্টি পায় উত্তর কোরিয়া। অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার বক্সে প্রতিপক্ষের একজন খেলোয়াড়কে ফেলে দিলে লেবাননের রেফারি স্পটকিকের নির্দেশ দেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মিয়ং ইয়ো জং গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে সহজেই বল জালে পাঠান।
এর কিছুক্ষণ পর কিম ইয়ং ডান পায়ের শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ফলে ২–০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।








