সময়ের স্রোতে শেষ হতে যাচ্ছে এক অধ্যায়। জাতীয় ফুটবল দলের কোচিংয়ের দায়িত্বে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে নতুন কোচ খোঁজার পথে হাঁটছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। অর্থাৎ বাংলাদেশের ফুটবলে কাবরেরার অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাফুফের সঙ্গে চুক্তি আছে তার। স্প্যানিশ কোচের অধীনে শেষ ম্যাচটি বাংলাদেশ খেলেছে ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে।
বাফুফে কাবরেরার সঙ্গে আপাতত নতুন করে চুক্তি করছে না। আজ শনিবার জাতীয় দল কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে আবার কাবরেরাকে ফেরানোর সুযোগও থাকছে। নতুন কোচদের মতো তিনিও চাইলে নতুন করে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
চার বছরের বেশি সময় জামাল ভূঁইয়াদের দায়িত্ব পালন করা এই কোচ প্রত্যাশিত সাফল্য দিতে পারেননি। তাই তার বিদায়ের দাবি উঠছিল গত এক বছর ধরেই। কাবরেরার অধীনে ৩৯ ম্যাচে বাংলাদেশ পেয়েছে ১০ জয়। সমান ১০ ম্যাচ ড্র করলেও হেরেছে ১৯টি ম্যাচে।
জাতীয় দল কমিটির সভা শেষে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তার মেয়াদ রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আমরা ভালো কোচের সিভি খুঁজবো। চাইলে সেও (কাবরেরা) আবেদন করতে পারে। কোচদের সাক্ষাৎকার নিয়ে যাকে যোগ্য বা বেটার মনে হবে, তাকেই নেওয়া হবে।’
হাভিয়ের কাবরেরা চার বছর বাংলাদেশ দলে থাকলেও খেলোয়াড় নির্বাচন, ম্যাচ কৌশলসহ নানা প্রশ্নে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। আবারও তাকে বিবেচনায় রাখা কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে বাবু বলেছেন, ‘আমরা তাকে সুযোগ দিচ্ছি না। সে চাইলে আবেদন করতে পারে। আবেদন করলে নতুন সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া পেরিয়েই কোচ নিয়োগ হবে।’
জাতীয় দলের প্রধান কোচের পাশাপাশি গোলকিপিং কোচও নিতে চায় বাফুফে, যিনি তুলনামূলক স্থায়ী হবেন। এ বিষয়ে বাবুর কথা, ‘আমরা হেড কোচের মতো গোলকিপিং কোচও দুই বছর মেয়াদে নিতে চাই। একই প্রক্রিয়ায় তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে।’
বিশ্বকাপের আগে জুনের প্রথম সপ্তাহে রয়েছে ফিফা উইন্ডো। এই সময়ে বাংলাদেশের মালদ্বীপে চার জাতির টুর্নামেন্টে খেলার প্রস্তাব আছে। জুন উইন্ডো প্রসঙ্গে বাবু বলেন, ‘আমরা থাইল্যান্ড ও মালদ্বীপ—দুটো নিয়েই কাজ করছি। জুন উইন্ডোতে বাংলাদেশ দল খেলবে, এটা নিশ্চিত।’
এদিকে, জাতীয় দল কমিটির সভায় প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণার পর খেলোয়াড়দের ক্যাম্পে না ডাকা নিয়ে কোচের সমালোচনা করেছেন একাধিক সদস্য।









